মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
শ্রীমঙ্গলে চোরচক্রের দুই সদস্য আটক, মালামাল উদ্ধার ডিমলায় ট্রাক চাপায় প্রাণ গেল নবম শ্রেণির ছাত্রীর ধামইরহাটে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩ মাদকসেবী আটক: বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ধামইরহাটে আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশে বালু খেকুদের থাবা, হুমকির মুখে নদী ও জনপদ চট্টগ্রামে মেসাজ পার্লারের আড়ালে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ, নেতৃত্ব দিচ্ছেন উজ্জল দাশ ধামইরহাটে ওয়ার্ল্ড ভিশনের কারিগরি প্রশিক্ষণ সমাপনী ও সনদ বিতরণ ধামইরহাটে জাতীয় পুষ্টি মেলা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে পুলিশের বড় অভিযান: ৫ হাজার লিটার চোলাইমদ জব্দ ও ধ্বংস কক্সবাজারে ঈদগাঁও ইউপি সদস্য অপহরণ,৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি জ্বালানি তেলের দামে অস্থির চট্টগ্রামের বাজার, বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম

পাতাপোড়া রোগে দিশাহারা কৃষক

 

সোহেল রানা,রাজশাহী প্রতিনিধি:

মাসখানেক পরেই সোনালি ধানের শীষে ঝলমল করবে মাঠের পর মাঠ তারপর শূন্য গোলা ভরে উঠবে ধানে। কিন্তু হঠাৎ ধানের পড়ন ও পাতাপোড়া রোগের আক্রমণে হতাশ হয়ে পড়েছেন রাজশাহীর তানোরে কৃষকরা। ফলন বিপর্যয়ের শঙ্কায় চিন্তিত তারা। বুটি রোগের হাত থেকে ধানের খেত বাঁচাতে সকাল-বিকেল কীটনাশক স্প্রে করেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না তারা ফলে পচন ও পাতাপোড়া রোগের আক্রমণে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন তারা।

 

অন্যদিকে উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী (বিএস) কর্মকর্তাদের মাঠে ডেকে পরামর্শ নেওয়ার জন্যও সাড়া পাচ্ছেন না তারা। এতে কারেন্ট পোকার আক্রমণের পর পচন ও পাতাপোড়া রোগ থেকে আমন ধান বাঁচাতে কৃষি অফিসের কোন পরামর্শ না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছেন প্রান্তিক কৃষকেরা।

 

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে পচন ও পাতাপোড়া রোগের আক্রমণ দৃশ্য। কারেন্ট পোকার আক্রমণের পর এবার পচন ও পাতাপোড়া রোগ থেকে ধান বাঁচাতে বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক স্প্রে করছেন কৃষকরা।

 

বেশ কিছু কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অন্য বছরের তুলনায় এ বছর আমন ধান চাষের জন্য কৃষককে তেমন হয়রানির শিকার হতে হয়নি। এবার আমন রোপণের সময় থেকে পানির সমস্যা না হলেও পটাশ সারের সংকট ও দাম বেশি ছিল। তার পরেও বেশি দামে সার কিনে আমন ধান চাষ করেছেন তারা। কিন্তু হঠাৎ করে পচন ও পাতাপোড়া রোগে নষ্ট হচ্ছে কৃষকের

 

স্বপ্নের সোনালি ফসল আমন ধান। বাজার থেকে বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক কিনে ব্যবহার করেও কোনো ফল পাওয়া যাচ্ছে না। যার জন্য পচন ও পাতাপোড়া রোগ নিয়ে নতুন করে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন উপজেলার কৃষকেরা।

 

কৃষকেরা দুশ্চিন্তার পড়লেও উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা রয়েছেন উদাসীন মাঠে দেখা মিলছে না উপসহকারী কর্মকর্তাদের। এমনকি অফিসে গিয়েও কোনো কর্মকর্তার সুপরামর্শ পাচ্ছেন না। কৃষকেরা ফলে কৃষকেরা নিজ থেকে বাজার থেকে বিভিন্ন কীটনাশক কিনে এনে জমিতে ব্যবহার করছেন। এতে তেমন ফল হচ্ছেন বলে জানান তারা।

 

উপজেলার তালন্দ ইউনিয়নের কালনা গ্রামের

 

কৃষক সাইফুল ইসলাম জানান, যেভাবে আমন ধানে কারেন্ট পোকা, পচন ও পাতাপোড়া রোগে আক্রমণ করছে তাতে কৃষকের ধানের উৎপাদন খরচ উঠবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কায় আছি।

 

আশরাফুল ইসলাম নামের আরেকজন বলেন, ‘বাজারে যেসব কীটনাশক বিক্রি হচ্ছে তাতে কোনটা আসল আর কোনটা নকল বোঝা বড় দায় হয়ে পড়েছে। দোকানদার যা দিচ্ছে তাই ব্যবহার করছি আমরা জামিনুর রহমান বলেন, প্রায় ৪ বিঘা জমির ধান পাতাপোড়া রোগে আক্রান্ত হয়েছে। কোনো ওষুধ প্রয়োগ করে ফল হচ্ছে না অতিরিক্ত ওষুধ প্রয়োগ করায় গুনতে হচ্ছে বাড়তি খরচ। ধান পাকার পর ভালো লম না পেলে মাথায় হাত ছাড়া উপায় থাকবে না।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com