বুধবার, ২৪ Jun ২০২৬, ০৯:৩৮ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
খুলশীতে অবৈধ জুয়ার আসরের অভিযোগ, অসাধু কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততার গুঞ্জন চান্দগাঁও থানা জামায়াতের নির্বাচন বিভাগীয় দায়িত্বশীল সমাবেশে মুহাম্মদ উল্লাহ টেকনাফে দুর্ঘটনাকবলিত বাসের যাত্রীদের উদ্ধার ও চিকিৎসা সেবা দিল কোস্ট গার্ড চট্টগ্রামে আ.লীগের নাশকতা প্রতিরোধে এনসিপির মিছিল নাইক্ষ্যংছড়িতে অজ্ঞাত ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার মহাসড়কে বেপরোয়া দুই বাসের সংঘর্ষে শিক্ষার্থীর মৃত্যু পুলিশের বিশেষ ফোর্স মোবিলাইজেশন ড্রিল ও চেকপোস্ট কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ঠেকাতে রূপগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ নবীনগরে গভীর রাতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ডাকাতি মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ: পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন অধিক মুনাফার আশায় শত শত বস্তা পেঁয়াজ মজুতের অভিযোগ, পচে দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

কর্ণফুলীতে”প্রেমিককে ‘মধ্যযুগীয় কায়দায়’ নির্যাতন করলো প্রেমিকার পরিবার

 

মোঃ সেলিম উদ্দিন খাঁন:

কর্ণফুলী উপজেলার বড়উঠানে এক যুবক পুরনো প্রেমিকার ডাকে সাড়া দিতে গিয়ে ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তাকে মুঠোফোনে ডেকে এনে চোখ ও হাত-পা গামছা দিয়ে বেঁধে প্রথমে বেধড়ক মারধর করা হয়, পরে তুলে নেওয়া হয় হাত ও পায়ের নখ।মধ্যযুগীয় কায়দায় এ নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে প্রেমিকার পরিবারের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে কর্ণফুলী থানার ওসি মুহাম্মদ শরীফ বলেন, ‘আহতকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তদের আটক করা হয়েছে।’

শনিবার (৫ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে বড়উঠান ফাজিল খাঁর হাট এলাকার একটি ভাড়া বাসায় ঘটে এ নৃশংস ঘটনা। আহত মো. আলমগীর (২৫) স্থানীয় পুতা বেচার বাড়ির মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে। পেশায় তিনি বাস চালক।স্থানীয় সূত্র ও পরিবার জানায়, এক গার্মেন্টসকর্মীর (২৩) সঙ্গে আলমগীরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ছেলের পরিবার সম্পর্ক মেনে নিলেও মেয়ের পরিবার ছিল বিপরীত। শেষমেশ বিয়ে না হয়ে আলমগীর অন্যত্র বিয়ে করেন। তবে বিয়ের পরেও ওই গার্মেন্টসকর্মীর সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল বলেও জানায় পরিবার।গতকাল শুক্রবার রাতে মেয়েটির ফোন পেয়ে তার ভাড়া বাসায় যান আলমগীর। সেখানেই আটকে রেখে পরদিন দুপুরে মেয়েটির মা, দুই ভাই, দুই বোন এবং দুই বোনের স্বামী মিলে আলমগীরকে হাত-পা ও চোখ গামছা দিয়ে বেঁধে নির্মমভাবে মারধর করে।

 

এক পর্যায়ে তার আঙুল ও পায়ের নখ তুলে নেওয়া হয় বলে অভিযোগে বলা হয়।বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আলমগীর।আলমগীরের ভাই জসিম উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, “আমার ভাই কোনো অপরাধ করলে তারা আইনের হাতে দিত। কিন্তু তারা নিজেরাই আইন হাতে তুলে নিয়ে অমানবিকভাবে নির্যাতন করেছে। আমার ভাই এখন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে।”আহত আলমগীর হাসপাতালের শয্যা থেকে জানান, “আমি বুঝতেই পারিনি তার ফোনটা আমার জন্য ফাঁদ হবে। তার মা, ভাই-বোন সবাই মিলে আমার চোখ-মুখ বেঁধে এমন নির্যাতন করেছে, নখ তুলে নিয়েছে।”কর্ণফুলী থানার ওসি মুহাম্মদ শরীফ বলেন, ‘মামলা হওয়ার পর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com