বুধবার, ২৪ Jun ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
খুলশীতে অবৈধ জুয়ার আসরের অভিযোগ, অসাধু কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততার গুঞ্জন চান্দগাঁও থানা জামায়াতের নির্বাচন বিভাগীয় দায়িত্বশীল সমাবেশে মুহাম্মদ উল্লাহ টেকনাফে দুর্ঘটনাকবলিত বাসের যাত্রীদের উদ্ধার ও চিকিৎসা সেবা দিল কোস্ট গার্ড চট্টগ্রামে আ.লীগের নাশকতা প্রতিরোধে এনসিপির মিছিল নাইক্ষ্যংছড়িতে অজ্ঞাত ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার মহাসড়কে বেপরোয়া দুই বাসের সংঘর্ষে শিক্ষার্থীর মৃত্যু পুলিশের বিশেষ ফোর্স মোবিলাইজেশন ড্রিল ও চেকপোস্ট কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ঠেকাতে রূপগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ নবীনগরে গভীর রাতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ডাকাতি মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ: পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন অধিক মুনাফার আশায় শত শত বস্তা পেঁয়াজ মজুতের অভিযোগ, পচে দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

তানোরে আগাম আলু চাষে দ্বিগুণ লোকসান গুনছেন কৃষকরা

 

সোহেল রানা,রাজশাহী,প্রতিনিধি:
লাভের আশায় আগাম আলু চাষ করে ব্যাপক লোকসান গুনতে হচ্ছে রাজশাহীর তানোরের চাষিদের।

উৎপাদন খরচও তুলতে পারছেন চাষিরা। যে পরিমাণ খরচ হয়েছে তার অর্ধেক টাকাও তুলতে পারছেন না চাষিরা। এতে করে মাথায় হাত পড়েছে আগাম আলু চাষিদের। কারণ রোপণের সময় বীজ সার বাড়তি দামে কিনতে হয়েছে। এজন্য খরচও অনেক বেশি হয়েছে বিগত বছরের তুলনায়। ফলে লোকসানে দিশেহারা চাষিরা।

গুবিরপাড়া গ্রামের আলু চাষি মোমিন গত বৃহস্পতিবার ডাকবাংলো মাঠের উত্তরে দেড়বিঘা জমিতে আগাম আলু উত্তোলন করেছেন। সে জানায়, গত বছর দেড় বিঘা জমিতে আলু চাষ করে দ্বিগুণ লাভ হয়েছিল। এবারো লাভের আশায় সবকিছু বাড়তি দামে কিনে দেড়বিঘা জমিতে আলু চাষ করে গত বৃহস্পতিবার উত্তোলন করেছি। প্রতি কেজি আলু ১৪ টাকা ২৫ পয়সা দরে বিক্রি করেছি। দেড়বিঘা জমিতে ৭০ কেজির বস্তায় ৪০ বস্তা করে ফলন হয়েছিল। দেড়বিঘা জমিতে খরচ হয়েছিল ৭১ হাজার টাকা। ৪০ বস্তার বিপরীতে ৩১ হাজার টাকা পেয়েছি। ৪০ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে।কামারগাঁ ইউপির জমসেদপুর মাঠে ৪ বিঘা জমিতে আগাম আলু চাষ করে প্রচুর লোকসান গুনতে হয়েছে চাষি ওলিকে।তিনি জানান, সবকিছু বাড়তি দামের কারণে প্রতি বিঘায় খরচ হয়েছে প্রায় ৮০ হাজার টাকা করে। বিঘায় ফলন হয়েছে ৩৪ বস্তা করে। প্রতি কেজি আলু বিক্রি হয়েছে ১৪ টাকা কেজি দরে। ৪ বিঘায় লোকসান প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা হবে।

ধানতৈড় গ্রামের কৃষক মুনসুর জানান, কয়েকদিন আগে গোকুল গ্রামের এনামুল ৪ বিঘা জমিতে আলু উত্তোলন করেছে, বিঘায় ৩৪ বস্তা করে ফলন হয়েছে। প্রতি কেজি ১৪ টাকা করে বিক্রি করেছে। একই গ্রামের রাব্বানী ২ বিঘা, ইব্রাহিম ১ বিঘা জমিতে আগাম আলু চাষ করে মাথায় হাত পড়েছে।

চাষিরা জানান, আলু রোপণের জন্য এত পরিমাণ খরচ হত না। কারণ বীজ সার দ্বিগুণ দামে কিনতে হয়েছে। এক বস্তা ব্র্যাকের বীজ কিনতে হয়েছে প্রকার ভেদে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা করে। বিগত কয়েক মৌসুমে বাম্পার লাভ পেয়ে আলু চাষে সবাই ঝুঁকে পড়েছে । সেই সুযোগে বীজ সার ও জমি লিজে প্রচুর বাড়তি টাকা গুনতে হয়েছে। আলু চাষে এক প্রকার প্রতিযোগিতা শুরু করেছিলেন চাষিরা। এ কারণে উৎপাদন খরচ কয়েকগুণ বেশি।

কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহম্মেদ জানান, এবারে আলুর লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৩ হাজার ১১৫ হেক্টর জমিতে। কিন্তু চাষ হয়েছে ১৩ হাজার ৩৮৫ হেক্টর জমিতে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৪ লাখ ২৮ হাজার ৩২০ মেট্রিকটন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com