শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
সন্ত্রাসী পাহারায় চলছে আ.লীগ নেতার অবৈধ ইটভাটা প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ ভারতে পালানোর প্রস্তুতিকালে উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য ও চাকরিচ্যুত সেনা সদস্য গ্রেপ্তার হালিশহরে ১১ কেজি ৯০০ গ্রাম গাঁজা ও নারীসহ ৬ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ইস্যু রাজনৈতিক কৌশল, বললেন ট্রাম্প শ্রীমঙ্গলে ”সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি” আন্তঃধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত ভূঞাপুরে এক মাসের শিশু বাচ্চা কে নিয়মিত টিকার পরিবর্তে দেওয়া হয় কুকুর কামড়ানোর ভ্যাকসিন লোহাগাড়ায় চাচাতো ভাইয়ের লাঠির আঘাতে মাদ্রাসা সুপার নিহত, আটক ১ রান্নাঘরে ফনা তোলে বসেছিল প্রাণঘাতী কোবরা, অল্পের জন্য রক্ষা কুলাউড়ায় ডিবির অভিযানে গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক ধামইরহাটে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের ইউপি কার্যালয়ে ফেরানোর নেপথ্যে কুচক্রী মহল

সন্ত্রাসী পাহারায় চলছে আ.লীগ নেতার অবৈধ ইটভাটা প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ

 

মো. সেলিম উদ্দিন খাঁন

বান্দরবানের লামা গজালিয়া ইউনিয়নের একটি দুর্গম এলাকায় সন্ত্রাসী পাহারায় আওয়ামী লীগ নেতা আজম খানের অবৈধ ইটভাটা পরিচালনার সংবাদটি বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রচার হাওয়াই জনমনে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, স্থানীয় প্রশাসন সবকিছু জেনেও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না,যা এলাকাবাসীর মধ্যে চরম অসন্তোষ তৈরি করেছে। লামা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের ৬ মাইল নাজিরাম পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনেই প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পাহাড় কেটে ও বন উজাড় করে অবৈধ ইটভাটা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে আজিজনগরের সাবেক আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আজম খানের বিরুদ্ধে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইটভাটাটিতে পরিবেশ বিধিমালা লঙ্ঘন করে টিনের চিমনি ব্যবহার, বনজ কাঠ জ্বালানি হিসেবে পোড়ানো এবং শিশুশ্রমে শিশুদের নিয়োজিত করার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কিছু কর্মকর্তাকে “ম্যানেজ” করেই প্রকাশ্যে এসব কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে ইটভাটা কর্তৃপক্ষ। সরেজমিনে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ইটভাটার জ্বালানির চাহিদা পূরণে আশপাশের সীমান্তবর্তী বনাঞ্চল থেকে নির্বিচারে কাঠ ও লাকড়ি সংগ্রহ করা হচ্ছে। কয়লার পরিবর্তে কাঠ পোড়ানোর কারণে এলাকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ইটভাটার আশপাশের বড় বড় পাহাড় কেটে মাটি সরাসরি ভাটায় নেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের সামনেই এসব কার্যক্রম চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ রহস্যজনক নীরব ভূমিকা পালন করছে বলে দাবি তাদের। ইটভাটার বৈধতা ও বন উজাড়ের বিষয়ে জানতে চাইলে কর্তৃপক্ষ কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। এ সময় ইটভাটা মালিকের ছেলে ফরহাদ সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন,প্রশাসনিক বিষয়গুলো আমরা ম্যানেজ করেই কাজ করছি। সাংবাদিকরা পারলে আমাদের বিরুদ্ধে যা পারেন করেন।”এ ধরনের বক্তব্যে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবেশ আইন লঙ্ঘনের পরও প্রশাসন কেন কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না—এ প্রশ্নও তুলেছেন সচেতন মহল।এছাড়া ইটভাটায় শিশুশ্রমের অভিযোগও উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুদের ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত করা হচ্ছে, যা প্রচলিত শ্রম আইন ও শিশুশ্রম নিরোধ আইনের পরিপন্থী। অন্যদিকে ইটভাটা থেকে নির্গত কালো ধোঁয়ার কারণে নাজিরাম পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ আশপাশের গ্রামবাসী শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় সচেতন নাগরিক, সুশীল সমাজ ও পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো অবিলম্বে পাহাড় কাটা বন্ধ, বনজ কাঠ পোড়ানো নিষিদ্ধ এবং অভিযুক্ত ইটভাটা মালিকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com