শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ন

খায়রুল খন্দকার টাঙ্গাইল :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন হয়েছে। চলছে মন্ত্রী পাড়ার ব্যস্ততা, ঠিক তখনই টাঙ্গাইলের রাজনীতিতেও বইছে ভিন্ন হাওয়া। টাঙ্গাইলের মানুষের কাছে আলোচনায় এখন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদে কারা আসছেন দায়িত্বে। কে হচ্ছেন জেলা পরিষদের কর্ণধার? কার হাতে উঠছে আগামীর স্থানীয় উন্নয়নের চাবিকাঠি?
টাঙ্গাইল জেলা পরিষদে চেয়ারম্যান হিসেবে আলোচনার টেবিলে প্রথম সারিতে উঠে আসছে জেলা বিএনপির বিপুল ভোটে নির্বাচিত সভাপতি এবং গণ মানুষের নেতা জনাব হাসানুজ্জামিল শাহীনের নাম।
সাধারণ মানুষের মাঝে জল্পনা-কল্পনা এখন তুঙ্গে, কে পাচ্ছেন সেই কাঙ্কিত দায়িত্ব? এদের মধ্যে অনেকে ইতিমধ্যেই বিএনপির শীর্ষ নেতাদের নজর কাড়তে লবিং-তদবির শুরু করেছেন। আবার তাদের শুভাকাঙ্কীদের দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে প্রচারণাও চালাচ্ছেন। জেলার স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার সাথে আলাপে জানা গেছে, গত ১৫ বছর ধরে এখানে জমা হয়েছে দুর্নীতি,বঞ্চনা আর না পাওয়ার এক নীরব দীর্ঘশ্বাস। তাদের মতে, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদে অতীতে চাকরি ক্ষেত্রে চরম বৈষম্য, উন্নয়নের নামে অনিয়ম আর দুর্নীতির অভিযোগ এসবই সাধারণ মানুষের মনে তৈরি করেছে গভীর ক্ষত। নতুন বাংলাদেশে আমরা আর দুর্নীতি চাই না, আমরা চাই ন্যায় নীতি ও সমবন্টন।
সচেতন নাগরিকদের মতে, চেয়ারম্যান, যিনি হবেন সবার অভিভাবক হতে হবেন। প্রশ্নাতীত সততা এবং সকলের জন্য সমান মমতা থাকতে হবে। টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ কেবল একটি প্রশাসনিক দপ্তর নয়; এটি আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, রাজনৈতিক অধিকার এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। সরকারি ও আধা-সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের সমন্বয় থেকে শুরু করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন সবই নিয়ন্ত্রিত হয় এই পরিষদের মাধ্যমে। শেষ পর্যন্ত টাঙ্গাইলের এই গুরুতপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব কার কাঁধে অর্পিত হয়, তা দেখার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছু সময়।