রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ন

মো. রেজাউল হক রহমত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে পূর্বশত্রুতা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দুইজন হয়েছে।
রবিবার রাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নবীনগর পৌরসভার আলমনগর গ্রামের হোটেল কর্মচারী ইয়াছিন (২৫) মারা যান। তিনি শফিকুল ইসলামের ছেলে। এর আগে গতকাল রবিবার সকালে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিপন (৩০) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়। নিহত শিপন বড়িকান্দি ইউনিয়নের নূরজাহানপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মোন্নাফ ওরফে মনেক মিয়া ডাকাতের ছেলে।
এ ঘটনায় নূর আলম ও এমরান মাস্টার নামে আরও দুজন গুলিবিদ্ধ হয়ে বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নূরজাহানপুর গ্রামের শিপনের সঙ্গে থোল্লাকান্দি গ্রামের রিফাতের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারসহ নানা বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে শনিবার রাতে গণিশাহ মাজার এলাকার একটি হোটেলে খাবার খাওয়ার সময় রিফাত, আরাফাতসহ কয়েকজন শিপনকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে শিপন, হোটেল কর্মচারী ইয়াছিনসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে পরবর্তীতে দুজন মারা যান।
এ ঘটনার পর মনেক মিয়ার অনুসারীরা প্রতিপক্ষের এমরান মাস্টারের ওপর পাল্টা হামলা চালায়, এতে এমরানও গুলিবিদ্ধ হন। ফলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
নবীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক বলেন,
“দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ডাকাতির মালামালের ভাগাভাগি নিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। গুলিবিদ্ধদের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এখনো কোনো মামলা হয়নি, তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।