রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
আসছে বর্ষায় জলাবদ্ধতায় নগরবাসীকে ৭০-৮০ ভাগ এলাকা জলজট মুক্ত থাকবে: চসিক মেয়র চুনতি রেঞ্জের হারবাং বিট কর্মকর্তাসহ বনকর্মীদের ওপর হামলা বান্দরবান,লামায় অবৈধ ইটভাটায় অভিযান : ২ লাখ টাকা জরিমানা মারামারির পর বাস চালাচ্ছিলেন ‘উত্তেজিত’ চালক, দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৪ আহত ২০ “মাঠে ফিরলেই বদলাবে তরুণ সমাজ”— নবীনগরে দেড় লাখ টাকার ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করলেন এমপি অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান সিলেটের ডিআইজি ও মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপারকে বিদায় সংবর্ধনা  শ্রীমঙ্গলে পুলিশের অভিযানে মাদক বিক্রির ৫ লক্ষ টাকা উদ্ধার মৌলভীবাজারে এসএ পরিবহনের গাড়ী থেকে অর্ধ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ সিলেটের ডিআইজি ও মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপারকে বিদায় সংবর্ধনা এলডিপি ছেড়ে এনসিপিতে যোগ দিলেন জাফর আহমদ চৌধুরী

তানোরে আমন ধানে কারেন্ট পোকার হানা, দিশেহারা কৃষকরা, নেই কৃষি কর্মকর্তার সহায়তা

 

সোহেল রানা,রাজশাহী প্রতিনিধি:
রাজশাহীর তানোর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে আমন ধানে হঠাৎ করে ভয়াবহ ‘কারেন্ট পোকার’ আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। প্রতিদিন সকালে ও বিকেলে কীটনাশক প্রয়োগ করেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না তারা। ফলে প্রান্তিক কৃষকরা চরম হতাশা ও দুশ্চিন্তায় ভুগছেন। মাঠ পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তাদের দেখা না মিললেও, কৃষকরা বাধ্য হয়ে যাচ্ছেন বিভিন্ন কীটনাশকের দোকানে। সেখানে দোকানদারের পরামর্শহ অনুযায়ী কীটনাশক কিনে বারবার প্রয়োগ করছেন তারা, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত ফল মিলছে না। অনেক দোকানে লাইসেন্স না থাকলেও নির্বিঘ্নে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক।

কৃষকদের অভিযোগ, এসব দোকানদার অকার্যকর বা সন্দেহজনক মানের কীটনাশক ধরিয়ে দিচ্ছেন, আর তা কোনো তদারকিই করছে না কৃষি বিভাগ। শিবরামপুর গ্রামের কৃষক আনারুল ইসলাম বলেন, “আমি এখনও পর্যন্ত কোনো কৃষি কর্মকর্তাকে মাঠে দেখিনি। কীটনাশক দোকানদার যা বলছে, তাই কিনে স্প্রে করছি, কিন্তু তাতে কোনো লাভ হচ্ছে না।”

একই গ্রামের জহিরুল ইসলামও হতাশা প্রকাশ করে বলেন, “ধানে পোকার আক্রমণ দিনদিন বাড়ছে। কী করব বুঝতে পারছি না।” করিমপুর গ্রামের কৃষক ওয়াহেদুল জানান, “কারেন্ট পোকার এমন আক্রমণ আগে কখনো দেখিনি। যেভাবে ওষুধ স্প্রে করছি, তাতে খরচই উঠে আসবে কি না, সন্দেহ। বাজারে কীটনাশক এত বেশি যে কোনটা আসল আর কোনটা নকল, বোঝা মুশকিল হয়ে গেছে।

কৃষকরা জানান, আমন রোপণের সময় পানি সমস্যায় না পড়লেও সার ও পটাশের সংকট ও অতিরিক্ত দামে চাষাবাদ করেছেন তারা। তারপরও তারা আশা হারাননি। কিন্তু হঠাৎ করে কারেন্ট পোকার এমন আক্রমণে স্বপ্নের ফসল চোখের সামনে নষ্ট হতে দেখে অনেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।

এদিকে, কৃষি বিভাগের ভূমিকাও এ পরিস্থিতিতে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। কৃষকদের অভিযোগ, কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তাদের মাঠে পাওয়া যাচ্ছে না। আবার কৃষি অফিসে গেলেও কোনো কার্যকর পরামর্শ বা সহযোগিতা মিলছে না।

এ বিষয়ে তানোর উপজেলা কৃষি অফিসের মোবাইলে ফোন দেওয়া হলে তিনি রিসিভ না করায় তার কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি। *বিশেষজ্ঞরা বলছেন*, সময়মতো যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে পোকার আক্রমণ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। একই সঙ্গে তারা কৃষকদের ভেজাল ও নকল কীটনাশক থেকে সাবধান থাকার পরামর্শ দিয়েছেন এবং যথাযথ তদারকির জন্য স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি আহ্বান, দ্রুত মাঠে কৃষি কর্মকর্তাদের সক্রিয় করা, লাইসেন্সবিহীন কীটনাশকের দোকান বন্ধ এবং কৃষকদের মাঝে কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য কীটনাশকের সরবরাহ নিশ্চিত করা। তা না হলে, এ বছর তানোরে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।#

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com