রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
আসছে বর্ষায় জলাবদ্ধতায় নগরবাসীকে ৭০-৮০ ভাগ এলাকা জলজট মুক্ত থাকবে: চসিক মেয়র চুনতি রেঞ্জের হারবাং বিট কর্মকর্তাসহ বনকর্মীদের ওপর হামলা বান্দরবান,লামায় অবৈধ ইটভাটায় অভিযান : ২ লাখ টাকা জরিমানা মারামারির পর বাস চালাচ্ছিলেন ‘উত্তেজিত’ চালক, দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৪ আহত ২০ “মাঠে ফিরলেই বদলাবে তরুণ সমাজ”— নবীনগরে দেড় লাখ টাকার ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করলেন এমপি অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান সিলেটের ডিআইজি ও মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপারকে বিদায় সংবর্ধনা  শ্রীমঙ্গলে পুলিশের অভিযানে মাদক বিক্রির ৫ লক্ষ টাকা উদ্ধার মৌলভীবাজারে এসএ পরিবহনের গাড়ী থেকে অর্ধ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ সিলেটের ডিআইজি ও মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপারকে বিদায় সংবর্ধনা এলডিপি ছেড়ে এনসিপিতে যোগ দিলেন জাফর আহমদ চৌধুরী

নগরীতে জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে:মেয়র ডা শাহাদাত হোসেন

 

 

মোঃ সেলিম উদ্দিন খাঁন 

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা শাহাদাত হোসেন বলেছেন, আমরা কাজ শুরু করেছি যাতে এবারের বর্ষায় যতটুকু সম্ভব জলাবদ্ধতা কমিয়ে আনতে পারি। আমরা চেষ্টা করছি শহরের ভেতরে যতগুলো নালা ও সমুদ্র, নদীতে পানি যাওয়ার প্রবাহ সেগুলো চালু করার। পরের বর্ষায় যাতে পানি চলে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়, সেজন্য আমরা কাজ করছি।

 

সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) নগরীর চান্দগাঁও থানার ওয়াপদা অফিসের মুখে ডোম খালের মাটি উত্তোলন কার্যক্রম পরিদর্শনে মেয়র একথা বলেন।তিনি আরো বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একসময় গ্রামাঞ্চলে কৃষি উন্নয়নের জন্য খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন, আর আজ শহরের জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানে আমাদের সেই একই উদ্যোগ নিতে হচ্ছে। চট্টগ্রামের প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা। ফরিদার পাড়া, বহদ্দারহাট, চান্দগাঁও, বাকলিয়া, মুরাদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

 

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ৩৬টি খাল চিহ্নিত করেছে, যার মধ্যে ২১টি খাল পরিষ্কারের কাজ আমাদের করতে হবে। কিন্তু খাল পরিষ্কার করাই যথেষ্ট নয়; জনসচেতনতা বাড়ানোও অত্যন্ত জরুরি। আমি দেখেছি, খালগুলো আবর্জনার স্তূপে পরিণত হয়েছে। আপনাদের সবার কাছে অনুরোধ, নালার মধ্যে ময়লা ফেলবেন না, বিশেষ করে প্লাস্টিক, পলিথিন, চিপসের প্যাকেট, প্লাস্টিক বোতল, ও ককশিট। কারণ এগুলো জলাবদ্ধতার মূল কারণ।

 

বর্তমানে পলিথিনের কারণে খালের উপর চার-পাঁচ ফিট স্তর জমে গেছে, যা জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছে। পলিথিনের বিরুদ্ধে আমাদের সচেতন হতে হবে। এটার বিকল্প হিসেবে নতুন কিছু বাজারজাত করার পরিকল্পনা করছি। আমি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে গিয়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাচ্ছি। মশার স্প্রে কার্যক্রম সঠিকভাবে হচ্ছে কি না, তা মনিটরিং করছি। ওয়ার্ড কাউন্সিলর না থাকলেও নেতাকর্মীদের একসঙ্গে কাজ করতে বলছি।

 

আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে হবে।”তিনি বলেন, নগরীর দোকানগুলোর সামনে ডাস্টবিন বসানো হবে। যদি কোনো দোকানের সামনে ময়লা পাওয়া যায়, তবে নিয়ম ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে তাদের ট্রেড লাইসেন্স বাতিল করা হবে। আমরা পচনশীল ভাত, মাছ, ডিম ইত্যাদি এবং অপচনশীল পলিথিন, প্লাস্টিক বর্জ্য আলাদা করার পরিকল্পনা করছি।

 

এসব বর্জ্য রিসাইক্লিংয়ের মাধ্যমে বিদ্যুৎ, জৈবসার এবং বায়োগ্যাস উৎপাদন সম্ভব। এতে বর্জ্য সম্পদে পরিণত হবে এবং যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার প্রবণতা কমবে।এসময় চসিক কর্মকর্তা,স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com