বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
চট্টগ্রামে আন্ডারগ্রাউন্ড পাওয়ার গ্রিড ক্যাবেল স্থাপনে দুর্ঘটনা, ক্যাবেল অক্ষত থাকার দাবি কর্তৃপক্ষের নওগাঁ ও সান্তাহার জনংশন এলাকায় রাত্রিকালীন সড়কের ছিনতাই অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশের যৌথ মহড়া কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তায় মধ্যরাতেও টহলে ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জেলা শহর থেকে সেন্ট মার্টিনের দূরত্ব ১২০ কিলোমিটার-এ দ্বীপের আর্তনাদ শুনতে কি পাও মহাদেবপুরে নাদিম টেলিকমে চাঞ্চল্যকর চুরি, কিশোর চোর আটক নওগাঁয় সরিষা ক্ষেত থেকে আশরাফুল নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার নেত্রকোণায় গণভোট সম্পর্কিত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ‘হারার ভয়ে খেলে না, সেই কথা তো বলে না’— শাকসু–ব্রাকসু সচলের দাবিতে বেরোবিতে শিক্ষার্থীদের স্লোগান নেত্রকোনায় নিরাপত্তার আশ্বাসে খালিয়াজুরীর হাওরাঞ্চলে ফিরেছে ভোটের আস্থা নেত্রকোনায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

জনতা ব্যাংকের ৫২১ কোটি লোপাট: ১৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে রূপালী কম্পোজিট লেদারওয়্যার লিমিটেডের চেয়ারম্যান এমএ কাদের ও তার স্ত্রীসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রপ্তানি না করেও ভুয়া বিলের বিপরীতে ভুয়া ডকুমেন্ট তৈরি করে জনতা ব্যাংকের ৫২১ কোটি ৭০ লাখ ৫১ হাজার ৬৩৪ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

আজ (৬ মার্চ) রবিবার  দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার তদন্ত প্রতিবেদন কমিশনে সুপারিশ করলে কমিশন তা অনুমোদন করে। বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন সংস্থাটির উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক।

চার্জশিটে অর্থ লোপাটকারী হিসেবে রূপালী কম্পোজিট লেদারওয়্যার লিমিটেডের চেয়ারম্যান এমএ কাদের, ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুলতানা বেগম, জনতা ব্যাংকের সাবেক জিএম বর্তমানে কৃষি ব্যাংকের ডিএমডি ফখরুল আলম, জনতা ব্যাংকের জিএম মো. রেজাউল করিম, ডিজিএম মো. ইকবালসহ ১৬ জনের নাম রয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে দুদক আইন ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারা ও ১৯৪৭ সালের ২নং দুদক প্রতিরোধ আইন ৫ (২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং আইন ২০১২ এর ৪ (২) ও ৪ (৩) ধারায় চার্জশিট অনুমোদন করা হয়েছে।

২০১৯ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি জনতা ব্যাংক থেকে এই টাকা উত্তোলন করা হয়। এই ঘটনায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে রাজধানীর চকবাজার মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামিরা অসৎ উদ্দেশে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ, ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে শর্তাদি লঙ্ঘন ও জাল-জালিয়াতির আশ্রয়ে রপ্তানি না করেও ভুয়া ডকুমেন্ট দেখান। এ

ভাবে তারা জনতা ব্যাংক থেকে ৪৫৪ কোটি ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৩৮৪ টাকা ঋণ হিসেবে উত্তোলনের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন। সুদসহ সেটি এখন ৫২১ কোটি ৭০ লাখ ৫১ হাজার ৬৩৪ টাকা হয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com