বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
চট্টগ্রামে আন্ডারগ্রাউন্ড পাওয়ার গ্রিড ক্যাবেল স্থাপনে দুর্ঘটনা, ক্যাবেল অক্ষত থাকার দাবি কর্তৃপক্ষের নওগাঁ ও সান্তাহার জনংশন এলাকায় রাত্রিকালীন সড়কের ছিনতাই অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশের যৌথ মহড়া কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তায় মধ্যরাতেও টহলে ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জেলা শহর থেকে সেন্ট মার্টিনের দূরত্ব ১২০ কিলোমিটার-এ দ্বীপের আর্তনাদ শুনতে কি পাও মহাদেবপুরে নাদিম টেলিকমে চাঞ্চল্যকর চুরি, কিশোর চোর আটক নওগাঁয় সরিষা ক্ষেত থেকে আশরাফুল নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার নেত্রকোণায় গণভোট সম্পর্কিত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ‘হারার ভয়ে খেলে না, সেই কথা তো বলে না’— শাকসু–ব্রাকসু সচলের দাবিতে বেরোবিতে শিক্ষার্থীদের স্লোগান নেত্রকোনায় নিরাপত্তার আশ্বাসে খালিয়াজুরীর হাওরাঞ্চলে ফিরেছে ভোটের আস্থা নেত্রকোনায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

কালিয়ায় আকস্মিক নদী ভাঙ্গনে বসতঘর বিলীন হয়ে গেছে 

মোঃ মাহফুজুর রহমান নড়াইল প্রতিনধি:

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর পূর্বপাড়া গ্রামে আকস্মিক নবগঙ্গা নদী ভাঙ্গনে নিঃস্ব হয়েছে অনেক পরিবার।

তারা খোলা আকাশের নীচে মানবেতর জীবনযাপন করছে। আকস্মিক এ নদী ভাঙ্গনে সর্বশান্ত হয় ওই পরিবারগুলো।

মঙ্গলবার (০১ অক্টোবর) খুলনা বিভাগীয় তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী মো. সবিবুর রহমান ও জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী উজ্জল কুমার সেন ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

ভুক্তভোগীরা জানায়, আকস্মিক এ নদী ভাঙ্গনে মুহুর্তের মধ্যে গ্রামের রিলু ফকির, মাকসুদ ফকির, মাহাবুর ফকির, রোকেয়া বেগম, মহাদত শেখ, জনি শেখ, ইমদাদ মাষ্টার, ঝর্না বেগম, রিপনা বেগম, কালু সরদার, শহিদুল মোল্যাসহ ১১ টি পরিবারের বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। পরবর্তীতে আরও ১৫ টি পরিবার কিছু মালামাল সরাতে পারলেও রক্ষা হয়নি বসতভিটা।

এ ছাড়া তীরবর্তী একটি মসজিদসহ অনেকগুলো পরিবার রয়েছে মহা আতঙ্কে। অনেকের ফসলী জমিও নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। অতি দ্রুত নদী শাসনের ব্যবস্থাসহ পুনর্বাসনের দাবী জানান ভুক্তভোগীরা।

এ বিষয়ে খুলনা বিভাগীয় তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী মো. সবিবুর রহমান বলেন, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বিষয়টি অবগত হয়ে সরেজমিনে এসেছি।

ভাঙ্গনের প্রবনতা কী ভাবে দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করা যায় সে বিষয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। দ্রুত নবগঙ্গা নদীতে ঝুঁকিপূর্ণ জায়গা চিহ্নিত করে স্থায়ীভাবে ভাঙ্গন রোধে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com