বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪৬ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
চট্টগ্রামে আন্ডারগ্রাউন্ড পাওয়ার গ্রিড ক্যাবেল স্থাপনে দুর্ঘটনা, ক্যাবেল অক্ষত থাকার দাবি কর্তৃপক্ষের নওগাঁ ও সান্তাহার জনংশন এলাকায় রাত্রিকালীন সড়কের ছিনতাই অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশের যৌথ মহড়া কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তায় মধ্যরাতেও টহলে ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জেলা শহর থেকে সেন্ট মার্টিনের দূরত্ব ১২০ কিলোমিটার-এ দ্বীপের আর্তনাদ শুনতে কি পাও মহাদেবপুরে নাদিম টেলিকমে চাঞ্চল্যকর চুরি, কিশোর চোর আটক নওগাঁয় সরিষা ক্ষেত থেকে আশরাফুল নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার নেত্রকোণায় গণভোট সম্পর্কিত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ‘হারার ভয়ে খেলে না, সেই কথা তো বলে না’— শাকসু–ব্রাকসু সচলের দাবিতে বেরোবিতে শিক্ষার্থীদের স্লোগান নেত্রকোনায় নিরাপত্তার আশ্বাসে খালিয়াজুরীর হাওরাঞ্চলে ফিরেছে ভোটের আস্থা নেত্রকোনায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

বাংলার খ্যাতিমান অভিনেতা অমল বোসের প্রয়াণ দিবস পালিত

উজ্জ্বল কুমার সরকার

আজ ২৩ জানুয়ারি বাংলার খ্যাতিমান অভিনেতা অমল বোস (জন্ম: ১৯৪৩ — মৃত্যু: ২৩ জানুয়ারি, ২০১২) এর প্রয়াণ দিবস। তিনি ১৯৪৩ সালে ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতের একজন খ্যাতিমান অভিনেতা ছিলেন। পাশাপাশি মঞ্চ, টিভি, বেতার, বিজ্ঞাপনচিত্রসহ সর্বক্ষেত্রেই দীপ্ত পদচারণা ছিল তার। তার প্রকৃত নাম অমলেন্দু বিশ্বাস।

তিনি তার অভিনয় জীবন শুরু করেন মঞ্চ নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে। ১৯৬৩ সালে থেকে তিনি ক্লাব থিয়েটার-এ মঞ্চ নাটকে কাজ করেন। ১৯৬৬ সালে তিনি প্রথম রাজা সন্ন্যাসী ছবিতে অভিনয় করেন।অমল বোস ১৯৪৩ সালে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ষাটের দশকের প্রথম থেকেই অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত হন।

একাধারে মঞ্চ, টিভি, চলচ্চিত্র ও বেতার জগতে পদচারণা ছিল। সেই সুবাদে ঢাকাতেই তিনি জীবনের সিংহভাগ সময় কাটিয়েছেন। পরিবারের অন্যান্য সদস্যের মধ্যে ছিল তার স্ত্রী – স্বাতী বোস, একমাত্র মেয়ে – মন্দিরা বোস ও জামাই – ইন্দ্রজিৎ সরকার। জনপ্রিয় এ অভিনেতা পেশাগত জীবনে জুট মিলস্‌ কর্পোরেশনের সিনিয়র অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে চাকরি জীবন থেকে অবসর গ্রহণ করেন।১৯৬০-এর দশকে অমল বোস তার অভিনয় জীবন শুরু করেন মঞ্চে অভিনয়ের মাধ্যমে। তিনি ১৯৬৩ সালে থেকে ঢাকা ক্লাব থিয়েটার-এ মঞ্চ নাটকে কাজ করেছেন। নুরুল মোমেনের নাটক আলো ছায়া তার নির্দেশনায় দারুণ জনপ্রিয়তা পায়। সেই সময় তিনি অবসর, সপ্তরূপা, শৈবাল ও রংধনু নাট্যগোষ্ঠীর সঙ্গে অসংখ্য নাটকে অভিনয় মে করেন।১৯৬৬ সালে রাজা সন্ন্যাসী ছবিতে অভিনয় করে চলচ্চিত্রে পদার্পণ করেছিলেন।

এরপর তিনি নীল আকাশের নিচে, শ্বশুরবাড়ী জিন্দাবাদ-সহ বহু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। অভিনয়ের পাশাপাশি একটি চলচ্চিত্র পরিচালনাও করেন অমল বোস। কেন এমন হয় নামের এই ছবিটি তিনি পরিচালনা করেন সত্তরের দশকে। ২০০৪ সালে মতিন রহমান পরিচালিত রং নাম্বার এবং মুশফিকুর রহমান গুলজারের কুসুম কুসুম প্রেম ছবিতে তিনি অভিনয় করেছেন।

বাংলাদেশ টেলিভিশনের সার্বজনীন দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রচারিত বিশেষ নাটিকায় অসুর চরিত্রে অভিনয় করে তিনি ‘জাতীয় মহিষাসুর’ হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছিলেন। দীর্ঘ ৩৮ বছর ঐ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীর বিশেষ নাটিকায় কংসের চরিত্রে অভিনয়েও তিনি ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্ব্বী।

এছাড়াও, বিশিষ্ট পরিচালক ও উপস্থাপক হানিফ সংকেত পরিচালিত জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদি’র ‘নানা-নাতি’ পর্বে অমল বোসের নানা ও মোহাম্মদ শওকত আলী তালুকদারের নাতি চরিত্রটি বহুল আলোচিত হয়। তিনি ২০১২ সালের ২৩ জানুয়ারি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।আজ তাঁর প্রয়াণ দিবসে জানাই গভীর শ্রদ্ধা।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com