বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০২:২২ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
রান্নাঘরে ফনা তোলে বসেছিল প্রাণঘাতী কোবরা, অল্পের জন্য রক্ষা কুলাউড়ায় ডিবির অভিযানে গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক ধামইরহাটে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের ইউপি কার্যালয়ে ফেরানোর নেপথ্যে কুচক্রী মহল অবাধে গাছ পাচার, উজাড় বন’ আলীকদমে’এত নিরাপত্তার মধ্যে ও গাছ পাচার কীভাবে হয় শ্রীমঙ্গলে হত্যা মামলার দুই আসামিসহ আটক ৬ শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশন সড়কের খানা-খন্দ মেরামত কাজ পরিদর্শন নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে ফারিয়ার মানববন্ধন মোবাইলে গান বাজিয়ে মদ ও ইয়াবা সেবনের ভিডিও দেখে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার আকবরশাহে হত্যাচেষ্টা মামলা, আটক ১ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করা কেবল একটি সাময়িক সমাধান নয়

ঢেলে সাজানো হচ্ছে ১৫ নৌ টার্মিনাল

১৬১ কোটি ৭১ লাখ টাকা ব্যয়ে ঢেলে সাজানো হচ্ছে দেশের ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ নৌ টার্মিনাল। চলতি বছরেই শেষ হবে পুরো কাজ। ফলে বছরে নৌপথে যাতায়াতকারী চার কোটি যাত্রী আধুনিক সুবিধা পাবে।

প্রকল্প এলাকাগুলো হলো- ঢাকা নদীবন্দর, মীরকাদিম, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী, ফতুল্লা, চাঁদপুর, ভান্ডারিয়া, ভোলা, উলানিয়া মির্জাকালু, তজুমুদ্দিন সি-ট্রাক, ঝালকাঠি, হুলারহাট, বরগুনা, মূলনা, বগা ও পটুয়াখালী।

প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য- সদরঘাট, চাঁদপুর, বরিশাল, ভোলা, খুলনা ও পটুয়াখালী নদীবন্দরসহ দেশের মোট ১৫টি নদীবন্দর স্থাপনের জন্য মোট ৫০টি বিশেষ ধরনের টার্মিনাল পন্টুন নির্মাণ করা।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি ৯৩ শতাংশ। চলতি বছরের এখনো ১০ মাস বাকি। এই সময়ের মধ্যে প্রকল্পের শতভাগ কাজ শেষ হবে।

নৌপরিবহন সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, দেশের নৌ টার্মিনালগুলো ঢেলে সাজানো হচ্ছে। কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। নৌপথে দেশের অনেক মানুষ যাতায়াত করেন। যাতে করে টার্মিনালগুলো নিরাপদ ও আধুনিক হয় সেই জন্য আমাদের উদ্যোগ।

প্রকল্পটি ২০১৮ সালের জুলাই হতে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত বাস্তবায়নের সময়সীমা। চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের এডিপিতে সমাপ্তির জন্য নির্ধারিত রয়েছে প্রকল্পটি। তবে এটি বাস্তবায়নে চাঁদপুর জেলার মজু চৌধুরি ঘাটে পন্টুন ও গ্যাংওয়ে স্থাপনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়।

প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন পন্টুনে গমনাগমনের রাস্তাটি খাস জমিভূক্ত এবং এটি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। এছাড়া মজু চৌধুরি ঘাটে নির্মাণাধীন পন্টুনে যাওয়ার রাস্তার জায়গা নিয়ে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের সঙ্গে যোগাযোগ করছে নৌপথ মন্ত্রণালয়। এটা দ্রুত সমাধান হবে বলে আশা মন্ত্রণালয়ের।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com