শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৫:২১ অপরাহ্ন
ভারতের দিল্লিতে এক তরুণীকে অপহরণ করে এছাড়াও গণধর্ষণের পর ওই তরুণীকে মাথা মুড়িয়ে, মুখে কালি মাখিয়ে প্রকাশ্য রাস্তায় হাঁটানো হয়। ওই ঘটনায় সাত নারীসহ নয়জনকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ।
সম্প্রতি পূর্ব দিল্লির কস্তুরবা নগরে প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন এ ঘটনা ঘটে। দিল্লি মহিলা কমিশনের চেয়ারপারসন স্বাতী মালিওয়ালের টুইট করা ভিডিওতে এই ঘটনার কথা জানাজানি হয়।
স্বাতী দিল্লি পুলিশকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে বলেছিলেন। তার পরই এই গ্রেফতার। ধর্ষণে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে বেআইনি মদ ও মাদকের কারবার সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ ছিল কিনা, তাও দিল্লি পুলিশের কাছে জানতে চেয়েছে মহিলা কমিশন।
ওই ঘটনার ভিডিও ও সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদেরকে ধরতে অভিযান চালাচ্ছে দিল্লি পুলিশ।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন পূর্ব দিল্লির কস্তুরবা নগরে ওই তরুণীকে অপহরণ করে গণধর্ষণ ও বেধড়ক মারধর করা হয়। তারপর তাকে জুতোর মালা পরিয়ে রাস্তায় জোর-জবরদস্তি হাঁটানোর অভিযোগ রয়েছে কয়েকজন নারীর বিরুদ্ধে। শুধু হাঁটানোই নয়, ওই সময় তরুণীর আশেপাশে থাকা নারীরা উল্লাসে চিৎকার করছিলেন, এমন ছবিও দেখা গেছে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে।
তবে গ্রেফতার হওয়া নারী ও তাদের স্বজনদের অভিযোগ, ২০ বছর বয়সী ওই তরুণীর সঙ্গে এক যুবকের পারস্পরিক দ্বন্দ্বের মধ্যেই আত্মহত্যা করেন ওই যুবক। এরপর মৃত যুবকের কাকা তরুণীকে বাড়ি থেকে অপহরণ করেন। পরবর্তীতে ওই তরুণীকে গণধর্ষণ করা হয়।
এদিকে যুবকের মৃত্যুর জন্য ওই তরুণীকেই দায়ী করে প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন তার ওপর চড়াও হন মৃত যুবকের প্রতিবেশীরা। গণধর্ষণের শিকার ওই তরুণীর মাথা মুড়িয়ে, গলায় জুতার মালা পরিয়ে, মুখে কালি মাখিয়ে রাস্তায় ঘোরানোর অভিযোগ ওঠে প্রতিবেশী ওই নারীদের বিরুদ্ধে।