মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫৫ অপরাহ্ন

যশোরের ভবদহ অঞ্চলের পানি নিষ্কাশনের অন্যতম মাধ্যম আমডাঙ্গা খাল। ওই খালের স্লুইস গেইট দীর্ঘ ৪ মাস বন্ধ রয়েছে। গেটম্যানের মাসিক ভাতা না দেওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
গেট বন্ধ রাখায় শুষ্ক মৌসুমেও পোহাতে হচ্ছে জলাবদ্ধতার ঘানি। দ্রুত আমডাঙ্গা খালের গেট খুলে দেওয়ার দাবিতে বুধবার ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটি অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এলাকার ২৭টি বড় বড় বিল এখনো অথৈ পানিতে ডুবে রয়েছে। বাড়ি ঘর থেকে পানি নেমেছে। কিন্তু বিলে ফসল না হওয়ার দরুন ভবদহবাসীর মধ্যে খাদ্যাভাব দেখা দিয়েছে।স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মেম্বরেরা এসব কথা জানান। বিলগুলো পানিতে ভরে থাকায় বিপাকে পড়েছে মাছের ঘেরের মালিকেরা। তারা মাছ ধরতে পারছে না। এছাড়া বোরো আবাদ হয়নি প্রায় ২৫ হাজার হেক্টর জমিতে। আমডাঙ্গা খালের গেটে গিয়ে দেখা যায় ৬ টি গেটই বন্ধ রয়েছে।
গেট অপারেটর রাজু আহমেদ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, গত ৬ মাস পাউবো আমাকে বেতন দেয় না। বিনাবেতনে কি আর কাজ করতে ভাল লাগে? এ কারনে গেট বন্ধ রয়েছে। গেট বন্ধ থাকায় এই চার মাসে জলাবদ্ধ এলাকায় এক বিন্দু পানিও কমেনি। দীর্ঘ দিন আমডাঙ্গা খালের গেট বন্ধ থাকায় ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির নের্তৃবৃন্দ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
সংগ্রাম কমিটির নেতা শিবপদ বিশ্বাস বলেন,” গেট বন্ধ থাকায় আমাদের জলাবদ্ধতা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত নিম্ন চাপের প্রভাবে কয়েক দিনের ভারি বর্ষণে প্রায় ৫/৬ ইঞ্চি জল বৃদ্ধি পেয়েছে। গেট খোলা থাকলে জল কম হত।”
তিনি আরো জানান, বিষযটির গুরুত্ব উপলব্ধি করে আমরা গেট উঠানামানো করানোর জন্য আজ বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারক লিপি দিয়েছি।