বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০১:৩৮ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
নওগাঁ মহাদেবপুর উপজেলার শ্যামপুরে ব্রজলীলা উপলক্ষে ১৬ প্রহরব্যাপী লীলাকীর্তন অনুষ্ঠিত নওগাঁ সদর সহ বিভিন্ন উপজেলায় ৭৮ জন চিকিৎসক যোগদান মৌলভীবাজারে সামাজকর্মী হোসাইনের উপর হামলার আসামি গ্রেপ্তার তিন পার্বত্য জেলায় পাহাড় গিলে খাচ্ছে ইটভাটা, বন উজাড় করে জনবসতি ঘেঁষে পাহাড়ে ৬৪ ভাটা নওগাঁয় দীর্ঘদিনের প্রেম,পালিয়ে বিয়ে অতঃপর স্ত্রীর গহনা নিয়ে প্রেমিক স্বামী উধাও মৌলভীবাজারে তামিম হত্যার মূল আসামিকে কুমিল্লা থেকে গ্রেপ্তার চট্টগ্রামে ঈদের আগে চড়া গরুর ও মুরগি মাংসের বাজার শ্রীমঙ্গলে জমি দখলের ভিত্তিহীন অভিযোগের বিরুদ্ধে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডাকাত চক্রের সন্ধান, স্টেশন রোডে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ৬ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক, ৯ ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকে লাল পতাকা স্থাপন বিআরটিএ’র

নওগাঁর নিয়ামতপুরে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এক নারী কর্মচারীর ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল

 

উজ্জ্বল কুমার সরকার নওগাঁঃ

 

নওগাঁর নিয়ামতপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের এক নারী কর্মচারীর ঘুষ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে ছড়িয়ে পড়া প্রায় ৩ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে কৌশলে ঘুষের টাকা লেনদেন করতে দেখা যায়।

ভিডিওতে দেখা গেছে, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কেরানি কামরুন্নাহার টেবিলের এক পাশে বসে আছেন। অপর পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন কয়েকজন সেবাগ্রহীতা। তাদের মধ্য থেকে একজনের কাছ থেকে তিনি কৌশলে অর্থ গ্রহণ করেন।

 

জানা গেছে, মঙ্গলবার গভীর রাত পর্যন্ত দলিল সম্পাদনের কাজ চলেছে। অভিযোগ রয়েছে, অতিরিক্ত অর্থ না দিলে কোনো দলিল সম্পাদন করা হয় না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অফিসের কয়েকজন কর্মচারী জানান, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কাজের ক্ষেত্রে নিয়মিতভাবেই অর্থ লেনদেন হয়ে থাকে, যা সাব-রেজিস্ট্রারের নিয়ন্ত্রণেই হয়। এটি এখন একটি প্রচলিত নিয়মে পরিণত হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

 

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কামরুন্নাহার বলেন, “গতকাল সেবাগ্রহীতাদের চাপে একটু বেশি সময় ধরে দলিল সম্পাদন করতে হয়েছে।”অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, “এই অর্থ নকলনবিশদের পারিশ্রমিক হিসেবে নেওয়া হয়েছে।”

 

জেলা রেজিস্ট্রার সাইফুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com