মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪৫ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
শ্রীমঙ্গলে চোরচক্রের দুই সদস্য আটক, মালামাল উদ্ধার ডিমলায় ট্রাক চাপায় প্রাণ গেল নবম শ্রেণির ছাত্রীর ধামইরহাটে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩ মাদকসেবী আটক: বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ধামইরহাটে আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশে বালু খেকুদের থাবা, হুমকির মুখে নদী ও জনপদ চট্টগ্রামে মেসাজ পার্লারের আড়ালে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ, নেতৃত্ব দিচ্ছেন উজ্জল দাশ ধামইরহাটে ওয়ার্ল্ড ভিশনের কারিগরি প্রশিক্ষণ সমাপনী ও সনদ বিতরণ ধামইরহাটে জাতীয় পুষ্টি মেলা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে পুলিশের বড় অভিযান: ৫ হাজার লিটার চোলাইমদ জব্দ ও ধ্বংস কক্সবাজারে ঈদগাঁও ইউপি সদস্য অপহরণ,৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি জ্বালানি তেলের দামে অস্থির চট্টগ্রামের বাজার, বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম

উখিয়া-টেকনাফে ১ হাজার ফুটনিচেও মিলছে না বিশুদ্ধ সুপেয় পানি তীব্র সংকট

মো: সেলিম উদ্দিন খাঁন

উখিয়া-টেকনাফে ১ হাজার ফুট নিচেও মিলছে না বিশুদ্ধ সুপেয় পানি! পানির সুপেয় পানির তীব্র সংকট, অকেজো হাজারও গভীর নলকূপ চলছে তীব্র তাপপ্রবাহ। মানুষের হাঁসফাঁস অবস্থা। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব দেখাচ্ছে প্রকৃতি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই প্রভাব থেকে যেন মুক্তি মিলছে না কক্সবাজারবাসীর। জেলার সর্বত্র দেখা দিয়েছে সুপেয় পানির সংকট। উখিয়া ও টেকনাফে প্রতিদিন ২০-২৫ মিলিয়ন লিটার ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের কারণে প্রতিবছর পানির স্তর ৪ থেকে ১২ মিটার নিচে নেমে যাচ্ছে। বিশেষ করে টেকনাফে ভূগর্ভস্থ পানির ৬৫ শতাংশে লবণাক্ততা পাওয়া গেছে। একসময় যেখানে ৮০ থেকে ৯০ ফুট গভীরে পানি মিলত, বর্তমানে ১ হাজার ফুট নিচেও বিশুদ্ধ পানি পাওয়া যাচ্ছে না।৩০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে রোহিঙ্গা বিষয়ক সম্মেলন উপলক্ষে কক্সবাজারের অরুণোদয় স্কুল অডিটরিয়ামে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভা ও সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সভায় বক্তারা জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও পর্যটন এলাকায় বর্জ্যের কারণে প্রায় ৩০০ একর আবাদি জমি নষ্ট হয়েছে, যা চাষযোগ্য থাকলে বছরে প্রায় ৩০ হাজার টন খাদ্যশস্য উৎপাদন সম্ভব হতো। কোস্ট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক এম রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, বর্জ্যকে শক্তিতে রূপান্তর করতে হবে। কক্সবাজারে বৈজ্ঞানিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালু করা জরুরি। কক্সবাজার প্রেসক্লাব সভাপতি মাহবুবুর রহমানের বলেন, বিকল্প সুপেয় পানির ব্যবস্থা ও স্থায়ী বর্জ্য শোধনাগার স্থাপন এখন সময়ের দাবি। বক্তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, পরিত্যক্ত পুকুর পুনঃখনন এবং নাফ নদী বা সমুদ্রের পানি লবণমুক্ত করে সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com