বুধবার, ১৭ Jun ২০২৬, ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
লোহাগাড়ায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মৌলানা হেলাল উদ্দিন আটক রামিসা ধর্ষণ-হত্যার ঘটনায় রায়:পর্যবেক্ষণে যা বললেন বিচারক কক্সবাজারে ঘুষে চলছে শতাধিক অবৈধ ভাটা, সংরক্ষিত বনে ৩১ ইটভাটায় কাঠ পুড়িয়ে ইট উৎপাদন বড়লেখায় ডাকাতির চেষ্টা ও হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলার আসামি গ্রেপ্তার শ্রীমঙ্গলে সাংবাদিকের বাসা থেকে চুরি ওয়া মালামাল উদ্ধার, কেয়ারটেকার গ্রেপ্তার শ্রীমঙ্গলে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন লামায় সাংবাদিকের বাড়িতে ডাকাতি, ফোন ধরেনি পুলিশ চুনতি ১৯দিনব্যাপী সীরতুন্নবী (স.)’র ৫৬ তম মাহফিলে’র প্রস্তুতি সভা: বাজেট সাড়ে পাঁচ কোটি চট্টগ্রাম-কেন্দ্রীয় কারাগার অঞ্চলভেদে ৪ ভাগ করার পরিকল্পনা বিরূপ আবহাওয়ার কারণে লবণের লক্ষ্যমাত্রা অপূর্ণ প্রায় ৭ লাখ ৭০ হাজার টন কম

উখিয়া-টেকনাফে ১ হাজার ফুটনিচেও মিলছে না বিশুদ্ধ সুপেয় পানি তীব্র সংকট

মো: সেলিম উদ্দিন খাঁন

উখিয়া-টেকনাফে ১ হাজার ফুট নিচেও মিলছে না বিশুদ্ধ সুপেয় পানি! পানির সুপেয় পানির তীব্র সংকট, অকেজো হাজারও গভীর নলকূপ চলছে তীব্র তাপপ্রবাহ। মানুষের হাঁসফাঁস অবস্থা। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব দেখাচ্ছে প্রকৃতি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই প্রভাব থেকে যেন মুক্তি মিলছে না কক্সবাজারবাসীর। জেলার সর্বত্র দেখা দিয়েছে সুপেয় পানির সংকট। উখিয়া ও টেকনাফে প্রতিদিন ২০-২৫ মিলিয়ন লিটার ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের কারণে প্রতিবছর পানির স্তর ৪ থেকে ১২ মিটার নিচে নেমে যাচ্ছে। বিশেষ করে টেকনাফে ভূগর্ভস্থ পানির ৬৫ শতাংশে লবণাক্ততা পাওয়া গেছে। একসময় যেখানে ৮০ থেকে ৯০ ফুট গভীরে পানি মিলত, বর্তমানে ১ হাজার ফুট নিচেও বিশুদ্ধ পানি পাওয়া যাচ্ছে না।৩০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে রোহিঙ্গা বিষয়ক সম্মেলন উপলক্ষে কক্সবাজারের অরুণোদয় স্কুল অডিটরিয়ামে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভা ও সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সভায় বক্তারা জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও পর্যটন এলাকায় বর্জ্যের কারণে প্রায় ৩০০ একর আবাদি জমি নষ্ট হয়েছে, যা চাষযোগ্য থাকলে বছরে প্রায় ৩০ হাজার টন খাদ্যশস্য উৎপাদন সম্ভব হতো। কোস্ট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক এম রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, বর্জ্যকে শক্তিতে রূপান্তর করতে হবে। কক্সবাজারে বৈজ্ঞানিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালু করা জরুরি। কক্সবাজার প্রেসক্লাব সভাপতি মাহবুবুর রহমানের বলেন, বিকল্প সুপেয় পানির ব্যবস্থা ও স্থায়ী বর্জ্য শোধনাগার স্থাপন এখন সময়ের দাবি। বক্তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, পরিত্যক্ত পুকুর পুনঃখনন এবং নাফ নদী বা সমুদ্রের পানি লবণমুক্ত করে সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com