রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন
মোঃ সেলিম উদ্দিন খাঁন বিশেষ প্রতিনিধি:
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকেন্দ্রিক বিভিন্ন মামলায় ঢালাওভাবে আসামি করার অভিযোগ সামনে আসছে। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় অন্তর্বর্তী সরকারের একাধিক উপদেষ্টা কথা বলেছেন। আইনজ্ঞরা বলছেন, যার বিরুদ্ধে অসত্য অভিযোগ আনা হচ্ছে, রায়ে তাকে নির্দোষ ঘোষণা করা হলে মামলাকারীর সমান শাস্তি হতে পারে।
অর্থাৎ দোষী প্রমাণ হলে আসামির যে শাস্তি হতো, নির্দোষ প্রমাণ হলে মামলাকারীকে একই শাস্তি দেওয়া হতে পারে।
তাদের মতে, মামলায় ঢালাওভাবে লোকজনকে আসামি করা বন্ধ করতে চাইলে যারা এসব মামলা করেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দৃষ্টান্ত থাকতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার উদাহরণ না থাকার কারণে সরকার বিব্রতবোধ করার কথা বললেও মিথ্যা মামলা দায়ের অব্যাহত আছে।কোনো অন্যায় বা বেআইনি কর্মকাণ্ডের দ্বারা কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার আইনের আশ্রয় নেওয়ার অধিকার আছে। এ কারণে মামলা-মোকদ্দমার প্রয়োজন হয়। কিন্তু অনেক সময় কাউকে হয়রানি বা সামাজিকভাবে হেয় করতেও মামলা করা হয়। অনেকে আবার মিথ্যা সাক্ষ্যও দিয়ে থাকেন। মিথ্যা মামলা করা ও মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া- দুটিই ফৌজদারি অপরাধ এবং এর জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে।আইনজীবীরা বলছেন, মিথ্যা অভিযোগকারী কিংবা মামলা দায়েরকারীর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২১১ ধারা অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। তবে এ ক্ষেত্রে শর্ত হলো, ওই মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হতে হবে। বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের যদি মনে হয়, আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো মিথ্যা, ভিত্তিহীন, তুচ্ছ, বিরক্তিকর বা হয়রানিমূলক এবং আসামির প্রতি চাপ সৃষ্টি করতে মামলাটি করা হয়েছে, তাহলে এ ধরনের মামলা মিথ্যা মামলা হিসেবে গণ্য হবে। মামলা মিথ্যা বা ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হলে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারী বা মামলা দায়েরকারীকে দণ্ড দিতে পারেন। এ ছাড়া সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বাদী হয়ে পৃথক মামলা দায়ের করতে পারেন।
মামলা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হলে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ দিতে পারেন। এমনকি আদালত মিথ্যা অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে দণ্ডমূলক ব্যবস্থাও নিতে পারেন। আমলযোগ্য নয়- এ রকম কোনো মামলায় কোনো পুলিশ কর্মকর্তা মিথ্যা প্রতিবেদন দিলে তার বিরুদ্ধেও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারেন। কারও বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সম্প্রতি জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। বরিশাল পুলিশ লাইনসে এক অনুষ্ঠান শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।তিনি বলেন, ‘এখন অনেক মামলা হচ্ছে, তাতে অনেক নিরপরাধ লোকের নাম ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমি বাহিনীর প্রধানদের বলছি, যারা এ ধরনের মামলা করছে, তাদের বিরুদ্ধেও অ্যাকশন নেওয়ার জন্য।’তিনি বলেন, ‘যদি এ ধরনের মামলা নেওয়া হয়, তাহলে বাদীর বিরুদ্ধে যেন অ্যাকশন নেয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আমরা এ ধরনের একটি সার্কুলার দিয়েছি, যেন এ ধরনের মামলা না নেওয়া হয়।’
গত ২১ অক্টোবর তেমন একটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্না। যিনি মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) চেয়ারপারসন। সদ্য ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ মানবাধিকার পরিপন্থি নানা আইনের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন তিনি। আবার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় তিনি মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে শক্ত ভূমিকা নেন। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের পক্ষে আদালতেও লড়েছিলেন সিনিয়র এই আইনজীবী।
আবার অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু সিদ্ধান্তের সমালোচনাও করেন মুক্তিযোদ্ধা জেড আই খান পান্না। বিশেষ করে সংবিধান পুনর্লিখন ভাবনার কঠোর সমালোচক তিনি। তিনি গণমাধ্যমে বলেছেন, ৩০ লাখ শহিদের রক্তের বিনিময়ে যে সংবিধান রচিত হয়েছে, তার ঘোষণাপত্র পাল্টানো যাবে না। যদি করে, তাহলে যুদ্ধ না, মহাযুদ্ধ হবে।এ কথা বলার পর গত ১৭ অক্টোবর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকেন্দ্রিক এই হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে আসামি করা হয়। গত ১৯ অক্টোবর দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন খবরের প্রধান শিরোনাম ছিল ‘ছাত্র আন্দোলনে মিছিলকারীরাও আসামি’। ওই প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মিছিলের অগ্রভাগে থাকা মানুষকেও হত্যা মামলার আসামি করা হয়েছে। এদের মধ্যে নারীরাও রয়েছেন। মামলার বাদী আবার এসব নারী আসামিকে চেনেনও না। মামলায় এক নারী আসামিকে পুরুষ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি রাজধানীর সূত্রাপুর এলাকা হত্যার ঘটনাস্থল হলেও ঢাকার বাইরে থাকা অনেককেও আসামি করা হয়েছে।’রাজধানীর ধানমন্ডির মোহাম্মদপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অভিভাবক হিসেবে মিছিলের অগ্রভাগে থাকা ‘গৃহিণী শামীমা’, নাটোরের সিংড়া থানার কৃষক আজিজ, মুন্সীগঞ্জের সাঈদ শেখ, গাজীপুরের মোজ্জামেল হক কাকন, কেরানীগঞ্জের সরোওয়ার্দী শেখের ভোগান্তির উদাহরণ দিয়ে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। মামলার বাদী বাছিরুল নিজেই প্রতিবেদককে জানান, তিনি মামলা করেননি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সাম্প্রতিক বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে জানতে চাইলে শনিবার (১৬ নভেম্বর) জেড আই খান পান্না বলেন, ‘এমন পরিস্থিতিতে পুলিশ প্রতিবেদন দেওয়ার পর আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে মিথ্যা অভিযোগে মামলাকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন। এমন উদাহরণও আছে। তবে তা খুবই রেয়ার। এতটাই রেয়ার যে, তা এখন চট করে স্মরণও করতে পারছি না।’হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পান জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্না। আদালতে তার পক্ষে শুনানি করেন আরেক জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম। সাম্প্রতিক ঢালাও মামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মামলা নেওয়ার সময়ই পুলিশ যে নামগুলো হয়রানি করার জন্য দেওয়া হয়েছে বলে বুঝতে পারে, সে নামগুলো বাদ দিতে পারে। আর যে মামলাগুলো এরই মধ্যে হয়ে গেছে, সেগুলোর প্রতিবেদন তো পুলিশই দেবে। তো অসৎ উদ্দেশ্যে দেওয়া নামগুলোর ব্যাপারে প্রতিবেদনে উল্লেখ করলেই হয়। আর যদি মামলার রায়ে কেউ নির্দোষ প্রমাণিত হন, সে ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী ব্যক্তি পাল্টা মামলা করে আদালতের কাছে প্রতিকার চাইতে পারেন। ভুক্তভোগী ব্যক্তি দোষী প্রমাণ হলে যে শাস্তি হতো, মিথ্যা মামলাকারীরও একই শাস্তি হতে পারে।’ অর্থাৎ ঢালাও মামলাকারীরও সমান শাস্তি হতে পারে।
আইনজীবী বলেন, ঢালাও মামলা সব পক্ষের জন্যই অসম্মানের। কারণ ঢালাও আসামি করার কারণে এই মামলাগুলো হাস্যকর হয়ে যাচ্ছে। এতে করে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যারা প্রাণ দিয়েছেন, আহত হয়েছেন, তাদের প্রতি অসম্মান করা হয়। আবার হয়রানি করার জন্য যাদের আসামি করা হচ্ছে, তাদেরও হেনস্তা ও অসম্মান করা হচ্ছে। বিশেষ করে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের আইন-আদালত ও বিচারব্যবস্থা নিয়ে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে। সাম্প্রতিক এমন আরও দুটি মামলার আসামি আরেক জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) মোতাহার হোসেন সাজু। এর মধ্যে গত ৯ সেপ্টেম্বর তাকে এক মামলায় জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। তিনি বলেন, আইন উপদেষ্টা এবং স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এমন কথা মৌখিকভাবেই বলছেন। এর বাস্তবায়ন নেই। টাকা-পয়সা খেয়ে বা খাওয়ার জন্য ঢালাও এসব মামলা করা হচ্ছে। বাদী জানেনও না কাদের আসামি করা হচ্ছে! বাদীর কাছ থেকে স্বাক্ষর নিলেও তার অজ্ঞাতসারে অন্য আসামির নাম ঢোকানো হয় ফায়দা লোটার জন্য। মামলার এসব নথি সরকার বা পুলিশ দেখলেই বুঝতে পারে। যদি সরকার বা পুলিশ সত্যি এর অবসান চায়, তাহলে দৃষ্টান্ত দেখাতে হবে। এসব মিথ্যা মামলা যারা করছে, তাদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা নিলেই অন্যরা সাবধান হবে।দণ্ডবিধির ২১১ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা মামলার সাজা হলো দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম ও বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় ধরনের দণ্ড। যদি মিথ্যা মামলা কোনো মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা সাত বছর বা তার বেশি মেয়াদের কোনো দণ্ডনীয় অপরাধ সম্পর্কে দায়ের করা হয়, তাহলে মিথ্যা মামলা দায়েরকারী বা বাদী সাত বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে। এর সঙ্গে মিথ্যা মামলা দায়েরকারীকে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে। গত বছর আইন কমিশনের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ১ কোটি ৬২ লাখ মামলা নিষ্পত্তির পরেও বিচারাধীন মামলা ছিল ৪০ লাখের বেশি। কমিশন ওই সময় মামলা নিয়ে এমন জটের ২২টি কারণ চিহ্নিত করেছে। এর প্রথম দুটি বিচারক স্বল্পতাসংক্রান্ত। এরপরই আছে ‘মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা’আদালতে মামলাজটের অন্যতম কারণ হলেও গত ১৫ বছরে কতটি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা হয়েছে, তার হিসাব আইন কমিশনের প্রতিবেদনে নেই। তবে তাতে বলা হয়েছে, আইনের অপপ্রয়োগের মাধ্যমে দেশের অধিকাংশ আদালতে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের ‘মহামারি’ আকার ধারণ করেছে। এ কারণে অনেক নিরপরাধ ব্যক্তি বিনা কারণে কারাভোগ, অহেতুক হয়রানি ও নানা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা কমাতে কয়েকটি সুপারিশও করেছে আইন কমিশন। এর মধ্যে আছে মামলা দায়ের করার সময় মিথ্যা, ফলহীন ও হয়রানিমূলক মামলা করার বিষয়টিকে নিরুৎসাহিত করতে হবে। নালিশি মামলা গ্রহণের ক্ষেত্রে মামলার আবেদনকারী ব্যক্তির (ফরিয়াদি) অভিযোগ যাচাইয়ের মাধ্যমে মামলার রক্ষণীয়তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে মিথ্যা মামলা দায়ের হলে বাদীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনের ২১১ ধারার আওতায় মামলা করার বাধ্যবাধকতা আনতে হবে এবং দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এতে মিথ্যা মামলা দায়েরের প্রবণতা কমবে এবং মামলার সংখ্যা অনেকাংশে কমানো সম্ভব হবে।প্রসঙ্গত, আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলও সম্প্রতি ঢালাও মামলায় বিব্রতবোধ হওয়ার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দেশে ঢালাও মামলার প্রবণতা দেখা দিয়েছে, যা বিব্রতকর। আইনগতভাবে বিষয়টি কীভাবে সামাল দেওয়া যায়, সে বিষয়ে বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের কাছে পরামর্শ চাওয়া হয়েছে। রাজধানীতে বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে ওই দিন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আইন উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘দুটি ব্যাপারে ওনাদের (বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন) কাছে নির্দিষ্টভাবে সহায়তা চেয়েছি। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে গায়েবি মামলা হতো। সরকারের পক্ষ থেকে গায়েবি মামলা দিত। আর এখন আমরা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো মামলা দিচ্ছি না। সাধারণ লোকজন, ভুক্তভোগী লোকজন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, তারা অন্যদের ব্যাপারে ঢালাও মামলা দিচ্ছে।’অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, ‘মামলায় ঢালাওভাবে আসামি করার একটা খুব মারাত্মক প্রবণতা দেশে দেখা দিয়েছে, এটি আমাদের অত্যন্ত বিব্রত করে। আমরা অনেক ধরনের আইনি সংস্কারের কথা ভাবছি। আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছি।…ওনাদের কাছে আমাদের একটা প্রত্যাশা যে ওনারা আইনগতভাবে কীভাবে বিষয়টি ট্যাকল (সামাল) করা যায়, পরামর্শ নিতে এসেছি।
ওনারা পরামর্শ দেবেন, কাজ করে, রিসার্চ (গবেষণা) করে জানাবেন।’উল্লেখ্য, সর্বশেষ গতকাল মঙ্গলবার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকেন্দ্রিক হতাহতের ঘটনায় হয়রানিমূলক মামলার প্রতিকারে নতুন চিন্তার কথা জানালেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
তিনি জানিয়েছেন, ডিসি, এসপি, জেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে জেলা পর্যায়ে কোনো কমিটি করা যায় কি না, সেই চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এই কমিটি মামলার প্রাথমিক তথ্য বিবরণী (এফআইআর) করার আগে যাচাই করে দেবে।