বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪৮ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
চট্টগ্রামে আন্ডারগ্রাউন্ড পাওয়ার গ্রিড ক্যাবেল স্থাপনে দুর্ঘটনা, ক্যাবেল অক্ষত থাকার দাবি কর্তৃপক্ষের নওগাঁ ও সান্তাহার জনংশন এলাকায় রাত্রিকালীন সড়কের ছিনতাই অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশের যৌথ মহড়া কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তায় মধ্যরাতেও টহলে ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জেলা শহর থেকে সেন্ট মার্টিনের দূরত্ব ১২০ কিলোমিটার-এ দ্বীপের আর্তনাদ শুনতে কি পাও মহাদেবপুরে নাদিম টেলিকমে চাঞ্চল্যকর চুরি, কিশোর চোর আটক নওগাঁয় সরিষা ক্ষেত থেকে আশরাফুল নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার নেত্রকোণায় গণভোট সম্পর্কিত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ‘হারার ভয়ে খেলে না, সেই কথা তো বলে না’— শাকসু–ব্রাকসু সচলের দাবিতে বেরোবিতে শিক্ষার্থীদের স্লোগান নেত্রকোনায় নিরাপত্তার আশ্বাসে খালিয়াজুরীর হাওরাঞ্চলে ফিরেছে ভোটের আস্থা নেত্রকোনায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

তানোর নির্বাচন অফিসের ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের বিরুদ্ধে ঘুষ ও হয়রানির অভিযোগ

রাজশাহী প্রতিনিধি: 

রাজশাহীর তানোর উপজেলা নির্বাচন অফিস সাধারণ মানুষের ভোগান্তির আতুরঘরে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন নতুন ভোটার আইডি কার্ড তৈরি কিংবা পুরোনো কার্ড সংশোধনের জন্য আসা সেবা প্রত্যাশীদের পড়তে হচ্ছে নানান সমস্যায়। মাসের পর মাস ঘুরেও কাঙ্ক্ষিত সেবা না পাওয়ায় ক্ষোভ দানা বাঁধছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

 

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিশেষ করে ভোটার আইডি কার্ডে নাম সংশোধনের ক্ষেত্রে অযথা বারবার নতুন কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনীয় সব কাগজ জমা দেওয়ার পরও একেকবার একেক অজুহাত দেখিয়ে আবেদন বাতিল করে দেওয়া হচ্ছে। এভাবে দিনের পর দিন হয়রানি ও আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন তারা। অভিযোগ রয়েছে, ওই অফিসের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হেলাল উদ্দিন সংশোধনের কাজের জন্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অর্থ দাবি করছেন।

 

সেবা প্রার্থীদের অনেকে জানান, সরকারি প্রক্রিয়ায় কাজ না হলেও হেলালকে টাকা দিলে সহজেই সংশোধন হয়ে যায়। প্রতিটি ভুলের জন্য প্রায় আড়াইশো টাকা পর্যন্ত দাবি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের মতে, এ অনিয়ম এখন “ওপেন সিক্রেট”-এ পরিণত হয়েছে। তানোর উপজেলার দুই পৌরসভা ও সাতটি ইউনিয়নের হাজারো বাসিন্দা প্রতিনিয়ত এই সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। অনেককে রাজশাহী আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসে পাঠানো হলেও সেখানেও নাগরিকদের অসৌজন্যমূলক আচরণের শিকার হতে হচ্ছে। আঞ্চলিক কর্মকর্তারা সাধারণ মানুষকে গুরুত্ব না দিয়ে অবহেলার সুরে বলেন, “উপজেলাতেই ঠিক করুন।”

 

ক্ষুব্ধ সেবা প্রত্যাশীরা বলেন, সরকারি অফিসে সেবা পেতে যদি ঘুষ দিতে হয় তবে সাধারণ মানুষের উপায় কী? তারা এ বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে উচ্চপদস্থ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং অভিযুক্ত ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হেলাল উদ্দিনের অপসারণ দাবি করেছেন।

 

এ বিষয়ে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হেলাল উদ্দিনের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com