বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:২২ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
চট্টগ্রাম দক্ষিণ সংরক্ষিত বনভূমিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ: বনকর্মীর ওপর হামলা, আটক ২ নবীনগরে বেগম রোকেয়া দিবসে ‘অদম্য নারী’ ক্যাটাগরিতে ৪ নারীকে সম্মাননা আরপিও সংশোধন: পোস্টাল ব্যালট বাতিল হবে কখন, গণনা কীভাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে ৩০০ বিচারক চেয়েছেন সিইসি শরীয়তপুরের ডামুড্যায় নানান আয়োজনে বেগম রোকেয়া দিবস পালন ভুঞাপুরে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস ২০২৫ পালিত লোহাগাড়া সাংবাদিক ফেডারেশনের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত সরাইল থানায় নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে যোগদান করেছেন মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া মৌলভীবাজার মুক্ত দিবস পালন, শহিদদের প্রতি জেলা পুলিশের শ্রদ্ধা সাংবাদিকতা-আইন পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা

বেতন বৃদ্ধি প্রলোভনে চাকুরী যেতে বসেছে ঝাড়ুদারের

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার নিয়ামত নগর এম.ইউ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ঝাড়ুদার পদে চাকুরী করছিলেন মায়ারানী বাসফোর নামের এক নারী। এরই মধ্যে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক খয়বর হোসেন তাকে বেতন-ভাতা বৃদ্ধির প্রলোভন দিয়ে স্বাক্ষর নেয়। বিধিবাম! এই স্বাক্ষর দেওয়ার পর থেকে বেতন-ভাতা বন্ধ হয় মায়ারানীর। এমনকি চাকুরী যেতেও বসেছে তার। প্রধান শিক্ষকের এই ভেল্কিবাজির প্রতিকার চেয়ে সংশ্লিষ্টদের বরাবর অভিযোগপত্র দাখিল করেছে তিনি।

সম্প্রতি সরেজমিনে ও অভিযোগপত্র সুত্রে জানা যায়, গত ১৯৯৬ইং সালে ওই বিদ্যালয়ে চতুর্থ শেণির কর্মচারি (ঝাড়ুদার) পদে মায়ারানী বাসফোর নিয়োগ পেয়ে সুনামের সাথে চাকুরী করে আসছিলেন। এরপর গত বছরের ২ ফেব্রুয়ারি প্রধান শিক্ষক খয়বর হোসেন তার অফিস কক্ষে মায়ারানীকে ডেকে নেয়। এসময় বেতন-ভাতা বৃদ্ধি করা হবে মর্মে কম্পিউটার টাইপকৃত একটি কাগজপত্রে মায়ারানীর স্বাক্ষর নেওয়া হয়। এই স্বাক্ষর দেওয়ার পর থেকে বন্ধ হয়ে যায় মায়ারানীর বেতন-ভাতা। পরে প্রধান শিক্ষক জানান যে, ওই স্বাক্ষর করা পত্রটি ছিল চাকুরী থেকে ইস্তফাপত্র। অথচ চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত মায়ারানীর এমপিও সিটে বেতন-ভাতা যুক্ত রয়েছে। কিন্তু মাসের পর মাস অতিবাহিত হলেও অদ্যবদি বেতন-ভাতা তুলতে পারছে না মায়ারানী বাসফোর। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে স্বামীহারা মায়ারনী পরিবার-পরিজন নিয়ে দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে। শুধু তায় নয়, সংশ্লিষ্টদের নিকট দাখিল করা অভিযোগটি প্রত্যাহার করে নিতে মায়রানী ও তার পরিবারকে প্রধান শিক্ষক নানাভাবে হুমিক দিয়ে আসছে মর্মে জানা গেছে।

এদিকে, মায়ারানীর ওই পদটি শূন্য এবং চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী আরও সৃষ্ট পদ দেখিয়ে পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রধান শিক্ষক। এ নিয়োগে বানিজ্য করার উদ্দেশ্যে ইতোমধ্যে ম্যানেজিং কমিটির রেজুলেশন করাসহ প্রধান শিক্ষক কর্তৃক নানাভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। এ সংক্রান্ত রেজুলেশনে কমিটির একাধিক সদস্যের স্বাক্ষর নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

মায়ারানী বাসফোর কান্নাজড়িতে কন্ঠে বলেন, আমি চাকুরী হতে ইস্তফা দেইনি। প্রধান শিক্ষক খয়বর হোসেন আমাকে বেতন বৃদ্ধির প্রলোভন দিয়ে একটি পত্রে স্বাক্ষর নিয়েছে। আমিন জানতাম না যে, সেটি ইস্তফাপত্র ছিল। চাকরী ফিরে পেতে সংশ্লিষ্টগণের নিকট আকুতি জানাচ্ছি।

এসব অভিযোগ অস্বীকার করে নিয়ামত নগর এম.ইউ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খয়বর হোসেন জানান, জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্ম তারিখ অনুযায়ী মায়ারানী বাসফোর চাকুরীর মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে। তাই মায়ারানী নিজেই চাকুরী ইস্তফা দিয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com