মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
অবাধে গাছ পাচার, উজাড় বন’ আলীকদমে’এত নিরাপত্তার মধ্যে ও গাছ পাচার কীভাবে হয় শ্রীমঙ্গলে হত্যা মামলার দুই আসামিসহ আটক ৬ শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশন সড়কের খানা-খন্দ মেরামত কাজ পরিদর্শন নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে ফারিয়ার মানববন্ধন মোবাইলে গান বাজিয়ে মদ ও ইয়াবা সেবনের ভিডিও দেখে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার আকবরশাহে হত্যাচেষ্টা মামলা, আটক ১ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করা কেবল একটি সাময়িক সমাধান নয় আসছে বর্ষায় জলাবদ্ধতায় নগরবাসীকে ৭০-৮০ ভাগ এলাকা জলজট মুক্ত থাকবে: চসিক মেয়র চুনতি রেঞ্জের হারবাং বিট কর্মকর্তাসহ বনকর্মীদের ওপর হামলা বান্দরবান,লামায় অবৈধ ইটভাটায় অভিযান : ২ লাখ টাকা জরিমানা

বিধা,ওভারপাস,আন্ডারপাস নির্মাণ না করে এই রুটে ট্রেন চলাচলা বন্ধ রাখার দাবি

মোঃ সেলিম উদ্দিন খাঁন: বিশেষ প্রতিনিধি

দোহাজারি.কক্সবাজার.১২৮ কিলোমিটার রেলপথের প্রায় ২৭ কিলোমিটার সবুজ বন- ক্যামেরা মনিটরিং সুবিধা,ওভারপাস,আন্ডারপাস নির্মাণ না করে এই রুটে ট্রেন চলাচলা বন্ধ রাখার দাবি।

দোহাজারি.কক্সবাজার. গুমধুম ১২৮ কিলোমিটার রেলপথের প্রায় ২৭ কিলোমিটার বন সবুজ ফেঁড়েফুঁড়ে এখানে বসেছে ইস্পাতের রেল। এই প্রকল্পে এডিবির যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াইল্ড লাইফ কনসালট্যান্ট নরিস এল. ডোড এবং একই সংস্থার বাংলাদেশের ন্যাশনাল এনভাইরোনমেন্টাল কনসালট্যান্ট আসিফ ইমরান যৌথভাবে গবেষণা পরিচালনা করেন।তারা চুনতিতে ১১টি, ফাঁসিয়াখালীতে ৭টি এবং মেধাকচ্ছপিয়াতে ২টি ক্যামেরা বসান। প্রায় সাত মাস ধরে পর্যবেক্ষণে ২১টি স্থানে হাতির চলাচলের পথ খুঁজে পায়। এর মধ্যে ১৩টি স্থান চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে, সাতটি ফাইস্যাখালী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে ও একটি মেধাকচ্ছপিয়া ন্যাশনাল পার্কে। সর্বোচ্চ ৪০টি হাতি আছে এখানে। যা আমাদের নিযস্ব ভৌগলিক সীমানায় প্রাকৃতিক বনে বেঁচে থাক একমাত্র হাতির টেরিটোরি। অথচ এই খানে মাত্র একটি হাতির ওভারপাস নির্মাণ করা হয়েছে। যদিও প্রকল্প পরিকল্পনা প্রেজেন্টেশনে রেললাইনের ওপর দিয়ে ওভারপাসের যে ডেমো দেখানে হয়েছে সেটা দেখলে যে কারও চোখ জুড়িয়ে যাবে। আবার হাতিসহ যেকোনও বন্যপ্রাণী রেল লাইন পারাপরারের সময় সেন্সরের সংকেত পাওয়ার প্রযুক্তি বাংলাদেশ রেলওয়ে ব্যবহার করার কথা। এমনকি নাইট ভিশন ক্যামেরা ট্রেনের মাথায় থাকবে যা ড্রাইভার বসে মনিটরে দেখতে পারবেন। এই পথে চলাচলা করা ট্রেনে এইসব যন্ত্রপাতি আজও সংযুক্ত করা হয় নাই। অথচ একটা বনের ভিতর দিয়ে নির্লজ্জের মতো হর্ন বাজাতে বাজাতে দমদমাদম…. ঝন…. ঝনা… ঝন.করে রেল গাড়ি দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। আপনাদের ১৮ হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্পে ২১ টি স্থানে হাতি চলাচলের ২১ কোটি টাকা খরচে কার্পন্য করলেন….! আপনাদের মুখে একদলা থুথু.. স্থানীয়দের!
(সকালে একটি উদ্ধারকারি রেল ওয়াগন ট্রেন ঘটনাস্থলে আসে। আহত হাতিটিকে তুলে আনার কাজটা সফল ভাবে হই। কিন্তুু আর বাঁচানো গেল না) আরে কত কিছু প্রাণ যে যাবে তা বলাই বাহুল,আর চুনতি বনের ভিতর কি গতিতে ট্রেন চলবে তার একটা গাইড লাইন হওয়া জরুরি। রেললাইনের দুই পাশের পর্যাপ্ত সেন্সর, ট্রেন থেকে ক্যামেরা মনিটরিং সুবিধা, আরও ওভারপাস, আন্ডারপাস নির্মাণ না করে এই রুটে ট্রেন চলাচলা বন্ধ রাখার দাবি জানাই স্থানীয়রা।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com