

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) পরিদর্শক মঞ্জুরুল হাসান মামুদ কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ করেননি বলে দাবি করে এএসআই মিরান শেখকে দুষলেন। তার কাছে পাওনা ১৬ লাখ টাকা না দেবার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ওই নারীকে দিয়ে চক্রান্ত করা হয়েছে বলে দাবি তার।
গতকাল সোমবার দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। তবে কলেজ ছাত্রীকে
ধর্ষণ ঘটনায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি তিনি।
পিবিআই খুলনার এস আই মঞ্জুরুল হাসান মাসুদ জানিয়েছেন, গত ২৬ মে উচ্চ আদালত থেকে দুই সপ্তাহের জামিন পেয়ে ব্যক্তিগত ভাবে সংবাদ সম্মেলন করছেন তিনি। আর এএসআই মিরান শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় তাকে খুলনা সদর থানা থেকে খালিশপুর থানায় বদলি করা হয়েছে।
খুলনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান আল মামুনের কাছে ৮ থেকে ১০বার যেয়েও আইনী সহায়তা পাননি বলে অভিযোগ করেন পিবিআই পরিদর্শক মঞ্জুরুল হাসান মাসুদ।
খুলনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান আল মাসুদ বলেন, “দুই সপ্তাহ পর জামিন শেষ হলে ধর্ষণ মামলার আসামি মঞ্জুরুল হাসান মাসুদ আদালতে আত্মসমর্পন করবেন। তখন আমরা আদালতের অনুমতি নিয়ে তার ডিএনএ টেস্ট করার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় প্রেরণ করবো। ডিএনএ টেস্টের রেজাল্ট পেলেই তো ঘটনার সত্যতা স্পষ্ট হবে। মামলাটি এস আই লতিফার রহমান পপি তদন্ত করছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: বিল্লাল হোসেন
www.e.bdprotidinkhabor.com
Copyright © 2026 বাংলাদেশ প্রতিদিন খবর. All rights reserved.