
খুলনার কয়রা উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়নের বীণা পানি এলাকায় দুর্বৃত্বদের তোলা নোনা পানিতে ডুবছে কৃষকের বোরো ধান। এতে অসহায় হয়ে পড়েছেন হাজার হাজর কৃষক।
প্রতিকার চেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।
লিখিত অভিযোগপত্র সূত্রে জানা গেছে, কয়রা উপজেলার দক্ষিন বেদকাশী ইউনিয়নের বীণাপানি এলাকায় প্রান্তিক কৃষক করোনাকালীন দৈন্যদশা কাটিয়ে কষ্টের দিনযাপন করছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ কবলিত ইউনিয়নের পূর্ব ও পশ্চিম পাশে দু’টি নদী। ইউনিয়নটির চারপাশে দূর্বল ভেড়িবাঁধ, যেকোন মুহুর্তে বসতবাড়ী ও জমি প্লাবিত হয়।
ফলে এ এলাকার বেশিরভাগ মানুষ হতদরিদ্র ও অসহায়। তারপরেও আমরা বেঁচে থাকার তাগিদে প্রতিকুল পরিবেশে বোরো ধানের আবাদ করে কৃষক সফল হয়ে ফসল ঘরে তুলছে। আইলার পরে কৃষকের কৃষি জমি ধান চাষের উপযোগী করতে প্রায় ৭-৮ বছরের বেশি সময় লেগেছে। তাদের জমির মাঝ বরাবর একটা মিঠা পানির খাল আছে। আমন ধান উঠানো ও পরবর্তীতে রোপনের প্রস্ততিকালে দুর্বত্তরা খাল ক্রয়ের নামে দখলে নিয়ে খালে নোনা পানি ঢুকিয়েছে। এতে কৃষকের আবাদের সব জমি নোনা পানিতে প্লাবিত হয়েছে। চাষাবাদের অনুপযোগী হয়ে গেছে কৃষকের কয়েক হেক্টর কৃষি জমি। এ অবস্থায় চরম হতাশা ও আতঙ্কে দিনযাপন করছে এলাকার বিপুল সংখ্যক কৃষক।কৃষকদের অভিযোগ, সম্প্রতি সময়ে নোনা পানি ঢুকাতে বাঁধা দেয়ায় মোঃ আব্দুল মান্নান কারিকর, রাজ্জাক কারিকর ও তাদের পোষ্য সন্ত্রাসীরা স্থানীয় কৃষক মৃণাল কান্তি বিশ্বাসসহ আরও কয়েকজন প্রান্তিক চাষীদের মারতে উদ্যত হয়। বেশি বাড়াবাড়ি করলে জীবনের তরে শেষ করে দেবার হুমকি দেয়। এ অবস্থান কৃষকের সোনালী ধান হারিয়ে জীবননাশের শঙ্কায় চরম নিরাপত্তাহীনতা ভুগছেন কৃষকরা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: বিল্লাল হোসেন
www.e.bdprotidinkhabor.com
Copyright © 2026 বাংলাদেশ প্রতিদিন খবর. All rights reserved.