প্রিন্ট এর তারিখঃ জানুয়ারী ১৬, ২০২৬, ৪:১৪ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ৯:৫২ অপরাহ্ণ
নেত্রকোনার খালিয়াজুরীতে বাবা-ছেলেকে পিটিয়ে জখম, চারদিন পর বাবার মৃত্যু

সোহেল খান দূর্জয় নেত্রকোনা :
নেত্রকোনায় বাবা-ছেলেকে পিটিয়ে জখম, চারদিন পর বাবার মৃত্যু।জানা যায়, নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলায় প্রতিপক্ষের হামলায় আহত তাইজুদ্দীন ফকির ওরফে গেদু মিয়া (৭৮) নামে এক কৃষক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার সকালে জমিসংক্রান্ত বিরোধে গেদু মিয়ার ছেলে রাইকুলকে পিটিয়ে আহত করে প্রতিপক্ষের লোকজন। এদিন বিকেলে ছেলের ঘটনায় থানায় অভিযোগ শেষে বাড়ি ফেরার গেদু মিয়াকে পিটিয়ে জখম করা হয়। নিহত গেদু মিয়া উপজেলার চাকুয়া ইউনিয়নের বানীচাপুর গ্রামের বাসিন্দা।
এ বিষয়ে নিহত গেদু মিয়ার ছোট ভাই সানোয়ার ফকির বলেন, গত বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির পাশে কৃষি জমিতে গেদু মিয়ার ছেলে রাইকুল ফকির কাজ করতে যায়। এসময় একই গ্রামের প্রতিপক্ষের স্বপন মির্জা ও তার ছেলেসহ কয়েকজন রাইকুলের ওপর হামলা চালায়। দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে রাইকুল গুরুতর আহত হয়। তাকে উদ্ধার করে মমেক হাসাপাতালে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় গেদু মিয়া বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ করার পর বাড়ি ফেরার পথে বিকেলে প্রতিপক্ষের লোকজন গেদু মিয়ার ওপর হামলা চালায়। লোহার রড ও লাঠিসোঁটা দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয় গেদু মিয়াকে। পরে তাকেও উদ্ধার করে মমেক হাসাপাতালে পাঠানো হয়।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে মারা যান গেদু মিয়া। আর তার ছেলে রাইকুল এখনও মমেক হাসাপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে সানোয়ার ফকির বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে বিকালে লাশ নিয়ে রওনা দিতে পারব। পরে এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করা হবে।
এ বিষয়ে খালিয়াজুরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসির উদ্দীন বলেন, গত বৃহস্পতিবার ছেলের ওপর হামলার ঘটনায় গেদু মিয়া বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করেছিলেন। পরে তার ওপর হামলা হয়েছে এমন খবর পাইনি। গতরাতে গেদু মিয়া মারা গেছেন বলে জানতে পেরেছি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: বিল্লাল হোসেন
www.e.bdprotidinkhabor.com
Copyright © 2026 বাংলাদেশ প্রতিদিন খবর. All rights reserved.