মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
দিনে রোদের দেখা মিললেও সন্ধ্যার পর হিমেল বাতাসে বাড়তে থাকে শীতের তীব্রতা। রাত যত গভীর হতে থাকে তাপমাত্রা নামার পাশাপাশি বাড়তে থাকে শীতের তীব্রতা। এমন অবস্থায় চায়ের দেশ মৌলভীবাজারে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
প্রচন্ড ঠান্ডায় স্বাভাবিক চলাফেরা ব্যাহত হচ্ছে এবং চরম দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া নিম্নআয়ের মানুষরা। দরিদ্র-হতদরিদ্ররা ঠান্ডায় ভোগলেও সরকারি-বেসরকারি ভাবে শীতবস্ত্র বিতরণের উদ্যোগ চোখে পড়েনি।
বৃহস্পতিবার (জানুয়ারি) শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র দেশের সর্বনি¤œ তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি রেকর্ড করেছে। শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান বলেন, ‘তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি রেকর্ড হয়েছে।
গতকাল বুধবার (০৭ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.৬ ডিগ্রি। গত ১ জানুয়ারি সকাল ৬টায় শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও ২ জানুয়ারি তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি, ৩ জানুয়ারি ১২.২ ডিগ্রি, ৪ জানুয়ারি ৯.৫ ডিগ্রি, ৫ জানুয়ারি ১২.৫ ডিগ্রি ও ৬ জানুয়ারি ১৪.৫ ডিজিটাল রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে ঠান্ডায় হাওর এলাকার কৃষক ও চা বাগান শ্রমিকরা পড়েছেন বিপাকে। এছাড়াও শিশু ও বৃদ্ধরা ঠাণ্ডাজনিত বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন। শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সিনথিয়া তাসনিম বলেন, শীতজনিত রোগীর ভিড় থাকছেই প্রতিদিন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: বিল্লাল হোসেন
www.e.bdprotidinkhabor.com
Copyright © 2026 বাংলাদেশ প্রতিদিন খবর. All rights reserved.