
মোঃ রেজাউল হক রহমত ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৫ (নবীনগর) আসনের নির্বাচনী মাঠে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেলেন এক স্বতন্ত্র প্রার্থী। ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে কেবলমাত্র একজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করে বাকিদের বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুছা সিরাজির মনোনয়নপত্র বাতিলের ঘোষণা দেন। তবে কী কারণে তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে—তাৎক্ষণিকভাবে সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় প্রার্থীদের কাগজপত্র, হলফনামা, প্রস্তাবক-সমর্থকের বৈধতা ও আইনগত যোগ্যতা খতিয়ে দেখা হয়। এই প্রক্রিয়ায় কোনো ত্রুটি বা অসঙ্গতি থাকলেই মনোনয়ন বাতিলের সুযোগ থাকে।
মনোনয়ন বাতিলের মধ্য দিয়ে নবীনগরের নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ হলো বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য নির্বাচনী পথ যে আগেই কঠিন হয়ে উঠছে, তারই একটি ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন অনেকে।
এদিকে যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ ঘোষিত ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে একজন নারী প্রার্থী রয়েছেন। তারা হলেন—
বিএনপির অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মান্নান, স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মো. নাজমুল হোসেন তাপস, জামায়াতে ইসলামীর অ্যাডভোকেট আব্দুল বাতেন,জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম, ইসলামি আন্দোলনের নজরুল ইসলাম নজু, খেলাফত মজলিসের আমজাদ হোসাইন আশরাফি, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কমরেড মো. শাহিন খান,
গণসংহতি আন্দোলনের নাহিদা জাহান, হেফাজতে ইসলামের মাওলানা মোদ্দাছির আলী এবং ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোহাম্মদ আশরাফুল হক।
মনোনয়ন যাচাই শেষে নবীনগরের নির্বাচনী মাঠ এখন জমে উঠতে শুরু করেছে। তবে এককভাবেহ একজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় স্বচ্ছতা ও সমতার প্রশ্নে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত ঘিরে আলোচনা থামছে না।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: বিল্লাল হোসেন
www.e.bdprotidinkhabor.com
Copyright © 2026 বাংলাদেশ প্রতিদিন খবর. All rights reserved.