
এইচ এম জুয়েল রানা যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
কোনো কিছুতেই যেন আর আস্থা রাখা যাচ্ছে না। প্রায় সব কিছুতে নকল আর ভেজালের ছড়াছড়ি। বিভিন্ন সময়ে মিষ্টিসহ নানা খাবারে রঙ মেশানোর কথা শোনা গেলেও এবার গারুর মাংসে রঙ মেশানোর খবর জানা গেল। তবে মাংস বিক্রেতারা শুধু অতিরিক্ত দামই রাখছেন না, ফ্রিজে রাখা বাসি ও শুকিয়ে যাওয়া মাংসে বিষাক্ত রঙ মিশিয়েও তা বিক্রি করছেন। বোতলে রাখা রক্তবর্ণের এসব রাসায়নিক ক্ষণে ক্ষণে মাংসে লেপ্টে দিয়ে তা সতেজ ও তাজা বলে বোকা বানাচ্ছেন ক্রেতাদের।
যশোরের মনিরামপুরে থানা মোড়ে মাংশে রং মিশিয়ে বিক্রির সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে গোমাংস ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম । এ অপরাধে ওই দোকানিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ (২১ ডিসেম্বর) বুধবার দুপুরে মনিরামপুর বাজারের থানা মোড় মাংশ পট্টিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আলী হাসান এই অভিযান পরিচালনা করেন।
এ সময় আদালত তাঁকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড সহ রং মেশানো মাংশ গুলো ড্রেনে ফেলে ধ্বংস করেন। রবিউল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে থানা মোড়ে মাংস বিক্রির কাজ করেন। একাধিক ব্যক্তি ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযোগ করে বলেন, রবিউল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে পচা ও বাসি মাংসে রং মাখিয়ে টাটকা হিসেবে বিক্রি করে আসছিলেন।
অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আলী হাসান বলেন, মাংসে রঙ মেশানোর অপরাধে বিক্রেতা রবিউল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন,ক্ষতিকর রঙ মিশিয়ে টাটকা মাংস দেখানোর চেষ্টা করা হয়। এই রঙ মানব স্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ ক্ষতির কারণ।ক্রেতারা এসব বাসি মাংস টাটকা ভেবে কিনে প্রতারিত হচ্ছেন। অন্য দোকানেও যেসব ভুল ও অসঙ্গতি পাওয়া গেছে সেসব শুধরে নিতে সতর্ক করা হয়েছে।’
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: বিল্লাল হোসেন
www.e.bdprotidinkhabor.com
Copyright © 2026 বাংলাদেশ প্রতিদিন খবর. All rights reserved.